সুসিটেক টোকিও এক্সপোতে বাংলাদেশের ৫ স্টার্টআপ

সুসিটেক টোকিও এক্সপোতে বাংলাদেশের ৫ স্টার্টআপ
১৫ মে, ২০২৪ ১৯:২৮  
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২:২৩  

জাপানের রাজধানী টকিওর বিগসাইট এক্সিবিশন হলে বুধবার থেকে শুরু হলো এশিয়ার সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক উদ্ভাবনী ইভেন্ট সুসিটেক (সাসটেইনবেল হাই সিটি টেক) টোকিও ২০২৪। এশিয়া থেকে বিশ্বের উদ্ভাবনী উদ্যোগের ইকোসিস্টেমে এশিয়ার উদ্যোগ গুলো বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোক্তাদের ফান্ডিং, ভেঞ্চর সহায়তা, ম্যাচমেকিং হয় এই ইভেন্টে। দুই দিনব্যাপী এক্সপোতে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ৫টি স্টার্টআপ।

মর্যদাপূর্ণ এই বৈশ্বিক মঞ্চে এটুআইয়ের পরিচালিত বিশ্বের প্রথম ইন্ট্রিগেটেড এসিস্টেড গ্রামীণ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম একশপ প্যাভিলিয়নে নিজেদের উদ্ভাবিত ব্যবসায় মডেল ও সেবা তুলে ধরেছে আনন্দমেলা শপ লিমিটেড, ওয়েব সফট বিডি, চিকিৎসা ডট এক্সওয়াইজেড, ডিজিবক্স লিমিটেড এবং ব্রাইট স্কিলস।

সকালে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নটি উদ্বোধন করেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধনের পর বাংলাদেশ থেকে অংশ নেয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর স্বাস্থ্য সেবা অ্যাপ্লিকেশন চিকিৎসা নিয়ে এর প্রতিষ্ঠাতা সাহাব উদ্দিন, ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন ও চাকরি প্রাপ্তির উদ্যোগ ব্রাইট স্কিলস বিষয়ে মনির হোসেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উন্মুক্ত ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস আনন্দমেলা নিয়ে সারাজিতা হক প্রমুখ নিজেদের উদ্যোগের বিষয় ব্যাখ্যা করেন।

এসময় দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টার সৈয়দ নাসির এরশাদ এবং দ্বিতীয় সচিব (প্রেস) মোঃ ইমরানুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। মেলায় স্মার্ট লকারযুক্ত ই-কমার্স পণ্য প্রাপ্তির ঝামেলাহিন ডেলিভারি সেবা ডিজিবক্স এবং হেলথটেক চিকিৎসা বেশ নজর কাড়তে সক্ষম হয়।

মেলায় অংশ নেয়া ই-ক্যাব জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি এবং চিকিৎসা ডট এক্সওয়াইজেড প্রতিষ্ঠাতা সাহব উদ্দিন শিপন জানিয়েছেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পারস্পরিক সহিযোগিতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে একটি টেকসই স্মার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে তারা নিজেদের পণ্য ও সেবা নিয়ে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রথম দিন থেকে প্যাভিলিয়নে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শনার্থী এবং বিনিয়োগকারীরা এসেছেন। তারা আমাদের রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক, ওষুধ এবং নার্সিং সেবা প্রাপ্তির এআই নির্ভর সেবাটি সম্পর্কে জেনেছেন। প্রত্যাশা ছিল, বিভিন্ন কোম্পানির সাথে পার্টনারশিপ করার এবং ইনভেস্টমেন্ট রেইজ করার। প্রথম দিনেই আশানুরূপ সাড়া পেয়েছি।

জানাগেছে, প্রথম দিনে নিজেদের উদ্যোগ প্রদর্শন ছাড়াও অংশগ্রহণকারীরা অন্যান্যদের উদ্যোগ পরিদর্শন এরং ইনভেস্টর প্যাভিলিয়ন গুলোতে গিয়ে বাংলাদেশের স্টার্টআপ সংস্কৃতি এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আলাপ করেছেন। সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে "ভবিষ্যতের কল্পনিক শহর", "প্রযুক্তির ভবিষ্যত" এবং "ডেভেলপিং স্টার্টআপ" নিয়ে।

বিশ্বের ৪০টি নগরী থেকে ৪ শাধিক উদ্যোগ নিয়ে উদ্যোক্তারা হাজির হয়েছেন সম্মেলনে। ৩ শতাধিক ভিসি, ৩ হাজারের বেশি বিজনেস নেভিগেশন ছাড়াও ৪০ হাজারের মতো পরিদর্শক উপস্থিত হয়েছেন এবারের সুসিটেক টোকিও-তে।