কর্মক্ষেত্রে অনলাইন হয়রানির শিকার ৪৩ শতাংশ নারী ও ১৪ শতাংশ পুরুষ
বাংলাদেশে গড়ে ১৫ শতাংশ সংবাদকর্মী কর্মক্ষেত্রে সরাসরি যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ নারী এবং ১৪ শতাংশ পুরুষ অনলাইন হয়রানির শিকার হয়েছেন। একইভাবে মৌখিক হয়রানির শিকার নারী ৫১ শতাংশ ও পুরুষ ৮ শতাংশ এবং শারীরিক হয়রানিতে নারী ২১ শতাংশ ও পুরুষ ৪ শতাংশ। এ ছাড়া ৭ জন নারী ও ২ জন পুরুষ ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
২৫ মার্চ, বুধবার রাজধানীর হলিডে ইন হোটেলে যৌন হয়রানি প্রতিকার নীতিমালা প্রকাশ আনুষ্ঠানে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য জানান বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আরাফাত সিদ্দিকী। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থা WAN-IFRA Women in News, City St George’s University of London এবং বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন ২০২৫ সালে যৌথ ভাবে এই জরিপ পরিচালনা করে। পূর্ণাঙ্গ জরিপটি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে জানিয়ে ৩৩৯ জন সংবাদকর্মীর ওপর পরিচালিত ওই জরিপের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন আরাফাত। অনলাইন হয়রানির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য না দিলেও তিনি বলেন, মৌখিক হয়রানির অভিযোগের ক্ষেত্রে ৪৩ শতাংশ নারী ও ৬০ শতাংশ পুরুষের অভিযোগে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; নেওয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা সতর্কবার্তায় সীমিত ছিল।
এফসিডিও-এর সহায়তায় বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন পরিচালিত ‘স্ট্রেনথেনিং উইমেন জার্নালিস্টস নেটওয়ার্ক টু ট্যাকল সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় এটি প্রণয়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রথম আলো অনলাইন ইংরেজি সংস্করণ সম্পাদক আয়েশা কবীর, সিনিয়র সাংবাদিক মনিমা সুলতানা, শাহনাজ বেগম, নাদিরা কিরণ, নাজনীন আখতার, ইন্টারনিউজের কান্ট্রি প্রতিনিধি শামীম আরা শিউলি, বৈশাখি টেলিভিশনের হেড অফ নিউজ জিয়াউল কবীর সুমন এবং বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নাসিমা আক্তার সোমা।
অন্যান্যদের মধ্যে ইআরএফ প্রেসিডেন্ট দৌলত আক্তার মালা, সিনিয়র সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নী, শাহনাজ শারমীন, রিতা নাহার, ইনস্টিটিউট অফ সাইকোলজি অ্যান্ড হেলথ (আইপিএইচ) পরিচালক সাইকোলজিস্ট নাজমুল হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দিন, ডিজিটাল রাইটসের মিরাজ আহমেদ চৌধুরী, গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক তানভীর সোহেল, চ্যানেল ওয়ানের আমিন আল রশীদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের উপসম্পাদক রাজু আহমেদ, দীপ্ত টিভির সিএনই এস এম আকাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডিবিটেক/এসএম/এমইউএম



