১১ মে দক্ষিণ কোরিয়ায় বসছে বিএসআইএ রোডশো
আগামী ১১ থেকে ১৪ মে দক্ষিণ কোরিয়ায় বসছে ‘বিএসআইএ দক্ষিণ কোরিয়া রোডশো ২০২৬’। এই বহুদিবসীয় আয়োজনে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার সেমিকন্ডাক্টর খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ প্ল্যাটফর্ম এবং সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্রমত্রে, বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাার মাধ্যমে দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতকে এগিয়ে নিতে এই “সিলিকন রিভার চলমান” রাখতে রোডশোতে সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) হার্ডওয়্যার, ডিজাইন, টেস্টিং, প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ে কৌশলগত বৈঠক, প্রযুক্তিগত আলোচনা, নেটওয়ার্কিং এবং অংশীদারিত্বমূলক সেশন থাকবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার যেসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা এতে যুক্ত থাকবে, তাদের মধ্যে রয়েছে এসকে হাইনিক্স, হানা মাইক্রন, কোরিয়া সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, কাইস্ট গ্লোবাল কমার্শিয়ালাইজেশন সেন্টার, ইটিআরআই, ম্যাককিনসি অ্যান্ড কোম্পানি, কোরিয়া ডিজাইন হাউস, কুলমাইক্রো, ওয়াই-টেক, সুপারগেট, নেপাস, সিনিক সলিউশন, পাইন্স এবং গ্রোথ অ্যাসোসিয়েটস প্রমুখ।
১০ মে, রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ)। এতে জানানো হয়, এই রোডশোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান, যেখানে অংশ নেবে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, সেন্টার অব রিসার্চ এক্সেলেন্স ইন সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজি (বাংলাদেশ) এবং কাইস্ট গ্লোবাল কমার্শিয়ালাইজেশন সেন্টার (দক্ষিণ কোরিয়া)। এই সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে থাকবে যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষক ও জ্ঞান বিনিময়, অবকাঠামোগত সহযোগিতা এবং প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ।
জানাগেছে, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে বিএসআইএ সদস্য প্রতিষ্ঠান, পারডু বিশ্ববিদ্যালয় এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
আয়োজন নিয়ে বিএসআইএ-এর সভাপতি এম এ জব্বার বলেন, এই রোডশো বাংলাদেশের উদীয়মান সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমকে বৈশ্বিক পর্যায়ে যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত সেমিকন্ডাক্টর খাত থেকে শিক্ষা নিয়ে গবেষণা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ এবং শিল্প সহযোগিতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাই লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, এটি বৃহত্তর ‘সিলিকন রিভার’ ভিশনের অংশ, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক ইকোসিস্টেমকে বৈশ্বিক সংযোগ, উদ্ভাবন এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হবে।
ডিবিটেক/ এএইচ/ ইকে



