সপ্তম এনটিটিএন কোম্পানি হিসেবে লাইসেন্স পেলো বাংলা ফোন

সপ্তম এনটিটিএন কোম্পানি হিসেবে লাইসেন্স পেলো বাংলা ফোন
১৪ মে, ২০২৬ ১০:৩৭  

বাংলা ফোন লিমিটেডকে ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) লাইসেন্স প্রদানের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। দীর্ঘ দিন এই খাতে স্থবিরতা কাটিয়ে সপ্তম এনটিটিএন কোম্পানি হিসেবে লাইসেন্স পেলো প্রতিষ্ঠানটি। 

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের টেলিকম শাখা থেকে ১৩ মে, বৃহস্পতিবার জারি করা এক চিঠিতে এ অনুমোদনের তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ২৯৫তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত এবং কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলা ফোন লিমিটেডের অনুকূলে এনটিটিএন লাইসেন্স অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে কমিশনের নির্ধারিত সব বিধান ও শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ শাহরিয়ার স্বাক্ষরিত চিঠিটি ১৩ মে জারি করা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ, বকেয়া রাজস্ব পরিশোধ না করা এবং এনটিটিএন (NTTN) সেবা প্রদানের নির্দেশ অমান্য করায় বিটিআরসি বাংলা ফোন লিমিটেডের ন্যাশনওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স বাতিল করে। এরপরও কোম্পানিটির বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে জটিলতা ছিল এবং পরবর্তীতে তাদের আইজিডব্লিউ (IGW) লাইসেন্সও বাতিল করা হয়। এরপর অক্টোবর ২০২৪-এ কোম্পানিটি তাদের সমস্ত বকেয়া, প্রশাসনিক জরিমানা এবং সুদ পরিশোধ করে।  ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে, বিটিআরসি-এর এলআইএমএস (LIMS - Licence Issuance and Management System) পোর্টালে নতুন করে আবেদন জমা দেওয়া হয়।পরবর্তীতে ২৫ মে ২০২৫ তারিখে বাংলাফোনকে লাইসেন্স দেওয়ার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে চিঠি পাঠায় বিটিআরসি। 

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের জুনে এনটিটিএন লাইসেন্স পেতে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করে বাংলা ফোন। লাইসেন্স না পেলেও, সে সময় বিটিআরসির ‘পারমিট’ নিয়ে ‘ওভার হেড ক্যাবল’ তথা ঝুলন্ত ক্যাবলের মাধ্যমে এনটিটিএন ব্যবসা করে আসছিল বাংলা ফোন। প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্যোক্তা আমেরিকা প্রবাসী ব্যবসায়ী আমজাদ খান। এনটিটিএন লাইসেন্স চেয়ে ২০১৬ সালে আদালতে গিয়েও বিফল হয়েছিলেন তিনি।  

বর্তমানে ফাইবার অ্যাট হোম, সামিট কমিউনিকেশনস, বাহন লিমিটেড, বিটিসিএল, বাংলাদেশ রেলওয়ে, এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ এনটিটিএন সেবা দিচ্ছে। 

ডিবিটেক/এসআই/ইকে