রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে লালন শাহ সেতু সেতু স্থানান্তরের খবর গুজব

৩ মে, ২০২৬ ২৩:৪৬  

‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে স্থানান্তর করা হচ্ছে লালন শাহ সেতু’। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছড়িয়ে পড়া এই খবরটি সত্য নয় বলে নিশ্চিত করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

খবরটি গুজব উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,  লালন শাহ সেতু তো সরছেই না, বরং ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জানায়, লালন শাহ সেতু যেখানে আছে সেখানেই থাকবে। সেতুটি সরানো হচ্ছে বলে যে কথা প্রচার হয়েছে তা গুজব, এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। তবে রূপপুরের পাশের সড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ থেকে রূপপুর-ঈশ্বরদী-নাটোর-বনপাড়া হয়ে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল পর্যন্ত দীর্ঘ ছয় লেনের সড়ক নির্মাণ করা হবে। 

তবে এই সড়ক নির্মাণকাজ একেবারে প্রাথমিক ধাপে রয়েছে। সড়কের ব্যয় ও অর্থ সংস্থানের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সওজ বলছে, লালন শাহ সেতুর দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮ দশমিক ১০ মিটার। চীনের প্রতিষ্ঠান মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো সেতুটি নির্মাণ করে। এতে স্প্যান রয়েছে ১৭টি। ২০০৪ সালের ১৮ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেতুটি যান চলাচলের জন্য উদ্বোধন করেন। সেতুটি চার লেন বিশিষ্ট। এর পূর্বপাশে অবস্থিত (পাকশী, ঈশ্বরদী‌, পাবনা) এবং পশ্চিম পাশে ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া। সেতুটি নির্মাণের ফলে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। সেতুটি রেখেই ঝিনাইদহকে ঢাকার সঙ্গে ছয় লেনে যুক্ত করা হবে।
ডিবিটেক/বিবিএস/ইকে