সৌরবিদ্যুৎ খাতে শুল্ক ছাড় ও কর অবকাশ বিবেচনায় সরকার, জুনে আসছে বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা

সৌরবিদ্যুৎ খাতে শুল্ক ছাড় ও কর অবকাশ বিবেচনায় সরকার, জুনে আসছে বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা
১৪ মে, ২০২৬ ১১:৪০  

সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সোলার সরঞ্জাম আমদানিতে নামমাত্র শুল্ক এবং পাঁচ বছরের কর অবকাশ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। পাশাপাশি আগামী জুনের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ খাতের জন্য বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

১৪ মে, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) আয়োজিত এক মতবিনিময় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রামের মিরসরাই জাতীয় বিশেষ শিল্পনগরে ১৩০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) পিপিপি প্রকল্প নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, সোলার ফ্রেম, ফটোসেল ও ব্যাটারির মতো গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামে শুল্ক-কর কমানোর বিষয়ে কাজ করছে সরকার। তার মতে, আমদানিতে ন্যূনতম শুল্ক এবং নির্দিষ্ট সময়ের কর ছাড় দিলে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন, যা ভবিষ্যতে রাজস্ব আয়ও বাড়াবে।

তিনি আরও বলেন, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরের মতো এলাকার বাড়ির ছাদ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ব্যবহারের সুযোগ দিলে শুধু এই দুই এলাকা থেকেই প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।

পাকিস্তানের উদাহরণ তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, সেখানে সরকার সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জাম আমদানি করে বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দিয়েছে, যা সফল হয়েছে। বাংলাদেশেও সরকার সরঞ্জাম আমদানিতে সহায়তা করতে পারে অথবা বেসরকারি খাতকে শূন্য শুল্কে আমদানির সুযোগ দিতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও পরিচালন দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সহায়ক নীতিমালা ও সহজ অনুমোদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রকল্পটি বেজা, বিদ্যুৎ বিভাগ, ইউএনডিপি ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক–এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। তিনি বলেন, সরকারি জমি ব্যবহারের সুযোগ, প্রথমবারের মতো বিইএসএস প্রযুক্তি সংযোজন এবং অব্যবহৃত জমিতে বেসরকারি বিনিয়োগের মডেল তৈরির দিক থেকে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ।

ডিবিটেক/পিএ/ইকে