রূপপুর আত্ম মর্যাদার ও স্বনির্ভরতার প্রতীক

রূপপুর আত্ম মর্যাদার ও স্বনির্ভরতার প্রতীক
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪৮  

নানা জটিলতায় প্রাক্কলিত সময়ের দুই বছর পর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। 

২৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার, পাবনার ঈশ্বরদীতে এই প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে যে অঙ্গিকার সরকার করেছিল তার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চত করে এবং বৈশ্বিক মান অর্জনের মাধ্যমে ফুয়েল লোডিং শুরু করতে পারা আমাদের জন্য আত্ম মর্যাদার। তবে এক্ষেত্রে আত্মতুষ্টি হতে পারে বিপজ্জনক।

মন্ত্রীর ভাষায়, রূপপুর শুধু একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত আত্মবিশ্বাসের একটি প্রতীক এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে। নতুন স্বপ্ন নতুন উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ হয়ে  তা অর্জন করতে সক্ষম করে তুলবে।

সভাপতির বক্তব্যে  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্ব ও সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাত আজ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প সেই অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কেবল একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নয়; এটি দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক অনন্য উদাহরণ। বহু বছরের পরিকল্পনা, গবেষণা ও প্রস্তুতির সমন্বয়ে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত রাশিয়ার  ৫ হাজার টেকনিক্যাল কর্মীসহ মোট ২০ হাজার দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও শ্রমিকদের অবদানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফকির মাহবুব আনাম।

মন্ত্রী বলেন, “রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি আধুনিক, টেকসই ও আত্মনির্ভর অর্থনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে আরও উদ্ভাবনী হতে অনুপ্রাণিত করবে।”

তিনি আরও বলেন, “সরকার ভবিষ্যতেও নিরাপদ ও টেকসই জ্বালানি উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবে।”

বক্তব্যে ১৯৬১ সালে পরিকল্পনা গ্রহণের পর ৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পারমাণবিক বিদ্যুতের গবেষণায় অর্থায়ন এবং বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে প্রকল্প গ্রহণের ইতিহাস রোমন্থন করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, 

ডিবিটেক/জেইউ/ইকে