বিদায়ের আগে নতুন মন্ত্রীকে বিশেষ সহকারীর দুই চিঠি; কমিশনে প্রথম বৈঠকে বসছেন মন্ত্রী
বিটিআরসি’র রেগুলেটরি বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনায় গুরুত্বারোপ
নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের আগেই পরিবারের কাছে ফিরে গিয়ে সংবাদ হয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব হস্তান্তর না করলেও নতুন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বরারব দুইটি চিঠিতে নিজের কাজের বিবরণের একটি নথি রেখে গেছেন তিনি।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি লেখা ওই দুই চিঠিতে দেশের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর কাছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ (পিটিডি) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি) সংশ্লিষ্ট দুটি পৃথক ডিও (ডেমি অফিসিয়াল) নথিতে এই দুই খাতের বিভিন্ন সংস্থারর বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনার বিষয় লিখে গেছেন ফয়েজ। দীর্ঘ ওই চিঠিতে স্থান পেয়েছে একগুচ্ছ সুপারিশও।
নথিগুলোতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল অর্থনীতি ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাত দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই নীতিগত সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। চিঠিতে আইসিটি বিভাগ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মধ্যে নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, আগের প্রশাসনের সময় শুরু হওয়া বেশ কয়েকটি কৌশলগত উদ্যোগ এখনও অসম্পূর্ণ রয়েছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য ঘনিষ্ঠ তদারকি প্রয়োজন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সংক্রান্ত নথিতে টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে। লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সহজীকরণ, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের বিস্তার এবং গ্রামাঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি বিবেচনায় ফাইভজি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি জোরদার করা এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা বজায় রেখে শিল্পবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে।
নথিতে স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রক স্বচ্ছতার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে। সাবেক এই উপদেষ্টার মতে, টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অনেকটাই নীতির স্বচ্ছতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতার ওপর নির্ভরশীল। তাই লাইসেন্সিং, স্পেকট্রাম বরাদ্দ এবং প্রতিযোগিতা তদারকির ক্ষেত্রে সংস্কার অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে আইসিটি বিভাগ সংক্রান্ত নথিতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সফটওয়্যার ও আইটি সেবা রপ্তানি বাড়াতে স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক নীতি গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাইটেক পার্ক ও আইটি পার্কগুলোর কার্যক্রম আরও সক্রিয় করে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
নথিতে আরও বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা অ্যানালিটিক্সসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন। এতে সাইবার নিরাপত্তা এবং ডাটা গভর্ন্যান্স বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সেখানে ডিজিটাল নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করার চলমান উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে উদ্ভাবন ও গোপনীয়তা–ডাটা সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাবেক এই উপদেষ্টার মতে, যেকোনো নিয়ন্ত্রক কাঠামো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত, তবে তা স্থানীয় বাস্তবতাকেও বিবেচনায় রাখতে হবে।
চিঠিতে মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, কাজের পুনরাবৃত্তি কমানো এবং সেবার মান উন্নত করতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পর্যালোচনার সুপারিশ করা হয়েছে। দায়িত্বের স্পষ্ট বিভাজন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে এবং ব্যুরিওক্রেটিক জটিলতা কমাতে সহায়ক হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করা এবং উদ্ভাবনের জন্য প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রযুক্তি পার্ক ও ইনকিউবেটরগুলোর ধারাবাহিক সহায়তা বজায় রাখাকে আঞ্চলিক ডিজিটাল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
তবে এই চিঠি মন্ত্রী পড়েছেন কি না তা জানা সম্ভব হয়নি। অবশ্য দায়িত্বগ্রহণের পরে মন্ত্রণালয় পর্যায়ের বৈঠক শেষে দুই মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলো ধারাবাহিক ভাবে ভিজিট করছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। সেসব বৈঠকে তার সঙ্গে থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
নিয়মিত বৈঠকের অংশ হিসেবে ৯ মার্চ, সোমবার বিটিআরসি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক করার কথা রয়েছে। এই সংস্থাটি নিয়ে সাবেক বিশেষ সহকারীর চিঠিতে মন্ত্রীর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সেখানে বিটিআরসি’র সংস্কার কার্যক্রম, নীতিগত আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যত টেলিযোগাযোগ রূপরেখা বাস্তবায়ন বিষয়ে বৈশ্বিক মান ও বিনিয়োগবান্ধব ইকো-সিস্টেম গড়ে তুলতে প্রাতিষ্ঠানিক নীতি, গাইডলাইন ও ডিজিটাল সিস্টেমে রূপ দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বিগত শাসনামলে নিয়ন্ত্রকের স্বাধীনতা ক্ষয় হয়েছে। মন্ত্রণালয় কেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত, অনিয়মিত নিয়োগ ও প্রভাব বিস্তার এবং স্বচ্ছতার ঘাটতির কারণে রেগুলেটরি বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে বিটিআরসি। লাইসেন্সিং কাঠামোর অতিরিক্ত খন্ডিত অবস্থা এবং মধ্যসত্বভোগী স্তরগুলো বাজারে অপ্রয়োজনীয় খরচ ও রেন্ট এক্সট্রাকশন থৈরি করেছে। সেবার মান নিয়ে অভিযোগ ব্যবস্থাও ছিলো দুর্বল। এখনও প্রায় ১২ হাজারের ওপর অভিযোগের সুরহা হয়নি।
এলক্ষ্যেই দায়িত্ব থাকাকালে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি’র কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কোয়াসি-জুডিসিয়াল স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি গৃহীতি সিদ্ধান্ত পোস্ট-ফ্যাক্টো রিভিউ করবে। এছাড়াও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদীয় কমিটির কাছে একটি নিয়মিত প্রতিবেদ দাখিলের বাধ্যবাধ্যকতাও রাখা হয়েছে নতুন নীতিমালায়। ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ, আন্তর্জাতিক মানের নজরদারি ব্যবস্থা, ই-ওয়েস্ট কমানো, এনইআইআর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এমএফএস স্ক্যামিং, জুয়া কমানো, অর্থমন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সমন্বিত আলোচনার মাধ্যমে এই খাতের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ কর কাঠামো নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করার কথা উল্লেখ হয়েছে চিঠিতে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নীতিনির্ধারণী সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) গত দেড় বছরে নানা পরিবর্তন, উদ্যোগ এবং বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সংস্থাটির কার্যক্রমে একদিকে যেমন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ দেখা গেছে, অন্যদিকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নিয়োগ ও নীতিগত পরিবর্তন নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ এমদাদ-উল-বারী-কে বিটিআরসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর কমিশনের কর্মকাণ্ডে নতুন কিছু অগ্রাধিকার সামনে আসে। এই সময়ে টেলিযোগাযোগ খাতে সুশাসন, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং সেবার মান উন্নয়নের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেন। একই সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে নীতিগত আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তৎকালীন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রস্তাব টেলিকম নীতিমালা, ডিজিটাল অধিকার এবং ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করে।
এই সময়ের অন্যতম আলোচিত উদ্যোগ ছিল নতুন টেলিকম আইন প্রণয়নের উদ্যোগ। বিদ্যমান আইনকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন কাঠামো তৈরির আলোচনা শুরু হয়। এতে ডিজিটাল অবকাঠামো, ডেটা ব্যবস্থাপনা, লাইসেন্সিং নীতিমালা এবং অপারেটরদের জবাবদিহিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
টেলিযোগাযোগ খাতের নানা সমস্যা, নীতিগত দুর্বলতা ও সম্ভাবনার বিশ্লেষণ তুলে ধরে একটি ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশের উদ্যোগও আলোচনায় আসে। এই শ্বেতপত্রে অবকাঠামোগত ঘাটতি, লাইসেন্সিং জটিলতা, বাজার প্রতিযোগিতা এবং সেবার মানসংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতের নীতিনির্ধারণে একটি রেফারেন্স ডকুমেন্ট হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল ইন্টারনেট বন্ধের প্রবণতা কমানোর উদ্যোগ। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ায় অর্থনীতি ও ডিজিটাল সেবায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল।
এই প্রেক্ষাপটে বিটিআরসি এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা ইন্টারনেট বন্ধের পরিবর্তে বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন। প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সারদের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ইন্টারনেট সংযোগ সচল রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। মোবাইল অপারেটরদের জন্য তরঙ্গ বরাদ্দ নীতিও এই সময়ে আলোচনায় ছিল। ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি যেমন ৫জি সেবা চালুর প্রস্তুতি, স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা এবং অপারেটরদের বিনিয়োগ সক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়।
টেলিযোগাযোগ সেবার মান বাড়াতে অপারেটরদের ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়। বিশেষ করে মোবাইল নেটওয়ার্কের গতি, কলড্রপ কমানো এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মোবাইল ডিভাইস নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে National Equipment Identity Register (NEIR) বাস্তবায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন শনাক্ত ও ব্লক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তবে বিটিআরসির কর্মকাণ্ড পুরো সময় জুড়েই বিতর্কমুক্ত ছিল না। কমিশনের ভেতরে কিছু নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়। কর্মকর্তাদের একটি অংশ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই বিষয়গুলো নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা এবং সমালোচনাও সামনে আসে, যা টেলিযোগাযোগ খাতের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করে।
ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম







