এআই গবেষণায় বিশ্বে শীর্ষে চীন

এআই গবেষণায় বিশ্বে শীর্ষে চীন
৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৭  

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়নে এখন বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে চীন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেইজিংয়ে জাতীয় গণকংগ্রেসের (এনপিসি) অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। খবর রয়টার্স।

জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশনের (এনডিআরসি) প্রতিবেদনে বলা হয়, “এআই, বায়োমেডিসিন, রোবোটিকস ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির গবেষণা, উন্নয়ন এবং প্রয়োগে চীন এখন বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়। চিপের স্বাধীন গবেষণা ও উন্নয়নেও নতুন অগ্রগতি হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং উপস্থাপিত মূল সরকারি কাজের প্রতিবেদনের শুরুর দিকেই প্রযুক্তি খাতের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়। গত বছরের প্রতিবেদনের তুলনায় এবার প্রযুক্তি খাতকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬-৩০ সালের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ‘নতুন মানের উৎপাদনশীল শক্তি’ (নিউ কোয়ালিটি প্রোডাক্টিভ ফোর্সেস) খাতের প্রকল্পগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি খাতে আধিপত্য বিস্তারের তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত চীন। এ কারণে উভয় দেশই কিছু পণ্য ও সম্পদের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। ওয়াশিংটন সবচেয়ে বেশি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে অত্যাধুনিক চিপের ওপর, আর বেইজিং প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে বিরল মাটি ও খনিজ সম্পদ রপ্তানিতে।

চিপ ও বিমানের মতো পশ্চিমা প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং এআইয়ের মতো নতুন শিল্পে এগিয়ে যাওয়া বেইজিংয়ের জন্য বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং তার প্রতিবেদনে বলেন, “নতুন গুণগত উৎপাদনশীল শক্তির বিকাশ ত্বরান্বিত করা এবং আধুনিক শিল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য আমাদের আরও বড় প্রচেষ্টা চালাতে হবে।” তিনি হিউম্যানয়েড রোবট ও ৬জির মতো ভবিষ্যতের শিল্পগুলো লালন করারও প্রতিশ্রুতি দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় চীন ওপেন সোর্স এআই মডেলগুলোর ওপর জোর দিচ্ছে। সাংহাই-ভিত্তিক স্টার্টআপ ডিপসিকের মুক্ত উৎসের মডেল বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলেছে।

ডিবিটেক/বিএমটি