নাটকে নাটকীয় অভিষেক অপো’র এআই অটো জুম ক্যামেরার ফোন

নাটকে নাটকীয় অভিষেক  অপো’র এআই অটো জুম ক্যামেরার ফোন
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:০০  

এ৬এস মডেল দিয়ে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করেছে অপো’র অটো জুম সেলফি ক্যামেরার স্মার্টফোন। জনপ্রিয় টিভি নাটক ব্যাচেলর পয়েন্ট ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বুম ফিল্মসের বিশেষ অন-স্ক্রিন সহযোগিতায় ২৪ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয় ফোনটি। 

নাটকে উন্মোচিত হলেও আগামী ৪ মার্চ থেকে বাজারে পাওয়া যাবে ফোনটি। এজন্য ৩ মার্চ পর্যন্ত আগাম বায়না নেবে অপো কর্তৃপক্ষ। জানাগেছে, লুমিনা ফরেস্ট ও একলিপ্স ব্লু- এই দুইটি রঙের এই ডিভাইসটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৩৯ হাজার ৯৯০ টাকা। এছাড়াও, ক্রেতারা টপপে থেকে ০% সুদে কিস্তিতে ফোনটি কিনতে পারবেন।

ফোনটিতে রয়েছে এআই-চালিত ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল অটো জুম সেলফি ক্যামেরা। গ্রুপ ফটোগ্রাফির জন্য বিশেষভাবে তৈরি এআই ফেইস রিকগনিশন অটো জুম প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একাধিক মুখ শনাক্ত করে ফ্রেমে সামঞ্জস্য করে নেয়। 

এই অভিজ্ঞতাকে আরও শক্তিশালী করতে অপো এ৬এস প্রোতে সুবিশাল ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্য পাঁচ বছর পর্যন্ত টেকসই কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করতে সক্ষম। পাশাপাশি রয়েছে ৮০ ওয়াট সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্ত।

অপো বাংলাশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডিভাইসটি ছয় বছর পর্যন্ত স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। উন্নত সুপারকুল ভিসি কুলিং সিস্টেম গেমিং, স্ট্রিমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় তাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি, ডিভাইসটিতে ১২০ হার্জ অ্যামোলেড আল্ট্রা-ব্রাইট ডিসপ্লে, মিলিটারি-গ্রেড শক প্রোটেকশনসহ আইপি৬৯কে ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, উন্নত কানেক্টিভিটির জন্য এআই লিঙ্কবুস্ট ৩.০, ৩০০% ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার হাই ভলিউম মোড, এআই কল হ্যারেজমেন্ট প্রিভেনশন এবং সাবলীল ফ্লুয়েন্সি নিশ্চিতে অরোরা ইঞ্জিন ও টাইডাল ইঞ্জিন সমর্থিত কালারওএস ১৬ ব্যবহার করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপো এ৬এস প্রো আমাদের ‘স্টে রুটেড অ্যান্ড গো বিয়নড’ দর্শনের বাস্তব প্রতিফলন। ব্যাচেলর পয়েন্টের সাথে আমাদের এই সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা উদ্ভাবন, সংস্কৃতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে একসূত্রে যুক্ত করেছি, যেন প্রযুক্তি বাস্তব জীবনের অর্থবহ মুহূর্তগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হয়।”

ডিবিটেক/এনও/ইকে