আগামী সপ্তাহে বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের
তিন দফা দাবি আদায়ে আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠন ‘প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন’। একই সঙ্গে দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএসসি প্রকৌশলের শিক্ষার্থীরা।
২৮ আগস্ট, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং (আইইবি) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ।
ওয়ালী উল্লাহ বলেন, দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চলছে, তা অব্যাহত থাকবে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে বিভাগীয় সমাবেশ করা হবে। এরপর ঢাকায় একটি জাতীয় সমাবেশ করা হবে।আন্দোলন রক্তের ওপর পুলিশের হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, গতকাল পুলিশের ন্যাক্কারজনক হামলার পর ডিএমপি কমিশনার ক্ষমা চাইলেও এখন পর্যন্ত ওই ঘটনায় কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি। শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবো।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়ালী উল্লাহ আরও বলেন, আমাদের দাবিগুলোর যৌক্তিকতা বিবেচনায় যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে ওয়ার্কিং কমিটিতে শিক্ষাবিদদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ উপদেষ্টা ও সচিবরা বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক কাজে ব্যস্তত থাকেন। আমরা ওই কমিটিকে ১৫ দিনের বেশি সময় দিতে চাই না।
এর আগে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শিক্ষার্থীরা শোভাযাত্রা শুরু করেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মৎস্য ভবনে পৌঁছালে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন শিক্ষার্থীরা। বাধা পেয়ে তারা গোলচত্বরে অবস্থান নেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই এলাকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি মাসুদ আলমের কুশপুত্তলিকা পোড়ান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে মৎস্য ভবন গোলচত্বরে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা বিকালে বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনার, টিএসসি, দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন, প্রেসক্লাব ও হাইকোর্ট অতিক্রম করে মৎস্য ভবনে এসে অবরোধে বসেন।







