মোবাইল গ্রাহকের দুর্ভোগ কমাতে ডিএনসিআরপি’র ৫ সিদ্ধান্ত

মোবাইল গ্রাহকের দুর্ভোগ কমাতে ডিএনসিআরপি’র ৫ সিদ্ধান্ত
২৮ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫৪  
২৯ জুলাই, ২০২৫ ০৮:৫৩  

কেবল ডাটা ও মিনিট নিয়ে নয়, কল ড্রপ, ডেড কলসহ মোবাইল ফোন অপারেটরদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ গ্রাহকদের। ভোক্তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত এমন কিছু অভিযোগ অপারেটরদের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরিস’র প্রতিনিধির সামনে তুলে ধরেলো ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি)। সভায় বিটিআরসি’র সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের উপ-পরিচালক খালেদ ফয়সাল রহমান, বাংলাদেশ মোবাইল টেলিকম অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোঃ জুলফিকার এবং গ্রামীনফোন, রবি, বাংলালিংক, টেলিটক প্রতিনিধি, বিটিআরসি প্রতিনিধি ও  উপস্থিত ছিলেন।

২৮ জুলাই সোমবার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে অধিদপ্তরের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম বলেন, গ্রাহকরা বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোন অপারেটরদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করছেন। কিন্তু অপারেটররা নিয়মিত অভিযোগের শুনানিতে উপস্থিত থাকছেন না, কোন কোন অপারেটরের পক্ষে ক্রমাগত সময় চাওয়ায় অভিযোগগুলো নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলিম আখতার খানের সভাপতিত্বে সভায় এসব অভিযোগ তুলে ধরে সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি ও ভোক্তাসাধারণের স্বার্থে পাঁচটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোবাইল ফোন অপারেটররা অধিদপ্তরে দাখিল করা অভিযোগগুলো আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে যাচাই বাছাই করে নিষ্পত্তিযোগ্য অভিযোগগুলো নিজ উদ্যোগে নিষ্পত্তি করে বাস্তবায়ন প্রতিবেদন দাখিল করবেন। যেসব অভিযোগের বিষয়ে অপারেটররা দ্বিমত করবেন সেসব অভিযোগ যথারীতি শুনানির মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিষ্পত্তি করবে। শুনানিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকার জন্য অপারেটররা নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেবেন।

পাশাপশি অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা/আমলযোগ্যতা যাচাইয়ে যেসব টেকনিক্যাল বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে, অপারেটররা সেসব বিষয়ের একটা চেকলিস্ট তৈরি করে আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অধিদপ্তরে পাঠাবেন।

এছাড়াও অব্যবহৃত ডাটা ও মিনিট পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রযোজ্য শর্তাবলি স্পষ্ট করে ব্যবহারকারীকে জানাতে হবে। একইভাবে কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধির সঙ্গে কোন অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার সময়ে অভিযোগকারীর সীম থেকে কলচার্জ বাতিল/গ্রহণযোগ্য করার সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করে মোবাইল ফোন অপারেটররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরোনো সিম নতুন করে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সিমের প্যাকেটে পরিষ্কার ভাষায় ইংরেজিতে ‘Re-Used’ এবং বাংলায় ‘পূর্বে-ব্যবহৃত’ লিখতে হবে যাতে সিম ক্রয়ের আগেই ভোক্তা তা জানতে পারেন।