টেকসই ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গবেষণা ও সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

সেফ ফুডের ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সেফ ফুডের ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
৯ মে, ২০২৬ ১৩:০৫  

“টেকসই ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড আয়োজিত ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলন। ৯ মে, শনিবার অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞ, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে গবেষণাকে আরও জোরদার করতে হবে এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও প্রযুক্তি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকার, গবেষক, কৃষিবিদ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গবেষণা ও জনসচেতনতা তৈরিতে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রফেসর ড. মোঃ খালেদ হোসেন-এর সভাপতিত্বে এবং ডা. মোহাম্মদ সরোয়ার জাহান-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শাহজামান খান এবং মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মসিউর রহমান।

উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মোঃ মনিরুল ইসলাম। সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. মোঃ আব্দুস সালাম। এছাড়া ওয়ার্ল্ড ফিশ, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ, সিএবি ইন্টারন্যাশনাল এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে এ বছর ঘোষিত ‘সেফ ফুড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয় নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার উদ্যোক্তা মোঃ সোহেল রানা-কে।

আয়োজকরা জানান, সম্মেলনে তিনটি বৈজ্ঞানিক সেশনে মোট ১৫টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়েছে। সেশনগুলোর বিষয় ছিল স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি; নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ; এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও মাইক্রোবায়োলজি। এছাড়া বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেশনে মাশরুমের পুষ্টিগুণসহ আরও চারটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। সম্মেলনে প্রায় ৭০টি গবেষণা পোস্টারও প্রদর্শিত হয়।

সম্মেলনের সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ওয়ার্ল্ড ফিশ, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ, সিএবি ইন্টারন্যাশনাল এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন। প্লাটিনাম স্পনসর ছিল ইন্টার এগ্রো বাংলাদেশ, গোল্ড স্পনসর নারিশ গ্রুপ এবং সিলভার স্পনসর হিসেবে সহযোগিতা করেছে প্যারাগন ডেইরি।

ডিবিটেক/এনএ/ইকে