ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যার শুনানি চলছে
জুলাই অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানির দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ। ৭ জানুয়ারি (বুধবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হচ্ছে। প্রথমে প্রসিকিউশনকে শুনছেন আদালত। পরে আসামিদের বক্তব্য শোনা হবে।
সকালে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজনভ্যানে করে পলককে ট্রাইব্যুনালে আনে পুলিশ। গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কারাগারে রয়েছেন। তার পক্ষে আইনি লড়াই চালাচ্ছেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।
অন্যদিকে, প্রধান আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই চলছে বিচারকাজ। গত ১৭ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল জয়ের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য সরকারি খরচে গত ১৭ ডিসেম্বর ‘স্টেট ডিফেন্স’ আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছেন।
এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। ১৭ ডিসেম্বর হাজির হওয়ার কথা থাকলেও না আসায় তার পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পরে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেওয়া হয়।
গত ৪ ডিসেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। একই দিন সকালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউশন জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটির উপদেষ্টা ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ইন্টারনেট বন্ধ করে বিশ্বের কাছ থেকে গণহত্যার তথ্য লুকানোর চেষ্টা করেছিল আইসিটি মন্ত্রণালয়। যার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয় জয়ের নাম। বাংলাদেশে বসে পলক তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন।
ডিবিটেক/আইকিউ/ইকে







