কোরবানির ঈদে বিডিটিকেটস বুকিংয়ে বাড়লো ১০ লাখ টিকিট

কোরবানির ঈদে বিডিটিকেটস বুকিংয়ে বাড়লো ১০ লাখ টিকিট
১৭ মে, ২০২৫ ০৬:২০  
১৭ মে, ২০২৫ ০৮:৩১  

কোরবানির ঈদের ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটিতে ঢাকা ছেড়ে মানুষ ছুটবে প্রিয়জনের টানে। কেউ যাবে গাড়িতে, কেউ ট্রেনে, কেউবা আবার লঞ্চে চড়ে পাড়ি দেবে দূরপাল্লার পথ। প্রাথমিক হিসাব বলছে, এবার ঈদে প্রায় ২ কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়বে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে। যাদের মধ্যে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ লাখ মানুষ বাড়ি ফিরবে বাসে। তাদের ঘরে বসেই ঈদ যাত্রার টিকিট প্রাপ্তির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে অনলাইন বাস টিকিট বুকিং প্ল্যাটফর্ম।

গেলো রোজার ঈদে তারা আগাম টিকিট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলো ২০ লাখ টিকিট। এবার এই সংখ্যা বাড়লো আরো ১০ লাখ। বিডিটিকেটস বাংলাদেশের প্রায় ৯৯% লং রুটের বাস সার্ভিস যুক্ত করেছে তাদের প্ল্যাটফর্মে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে কোনো বাড়তি চার্জ ছাড়াই তারা প্রায় ৩০ লাখের বেশি বাস টিকিট বিক্রি করবে বিডিটিকেটস এর ওয়েবসাইট ও অ্যাপ থেকে। টিকিট বুকিং চলবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং যেকোনো প্রয়োজনে সপ্তাহের সাত দিন ১৬৪৬০ নম্বরে ফোন করে কাস্টমার কেয়ারের সহায়তা নেওয়া যাবে। ঘরমুখো যাত্রীদের রিটার্ন টিকিটে মিলবে অফার। 

এ বিষয়ে বিডিটিকেটস এর হেড অব ক্যাম্পেইন শাফায়েত শাহনূর বলেন, ‘ঈদ মানেই আপনজনের কাছে ফেরার তাগিদ—মায়ের হাতের রান্না, বাবার ডাক, ছোট ভাইয়ের সঙ্গে গল্প...এই টানেই মানুষ ছুটে যায় নিজের শিকড়ে। কিন্তু সেই ফেরার পথটাই যখন হয় টিকিট সংকট, দীর্ঘ লাইন আর কালোবাজারির ভোগান্তিতে ভরা, তখন ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। আমরা চাই, মানুষ যেন সেই কষ্টটা না পায়। গরমে ঘেমে, বৃষ্টিতে ভিজে লাইনে দাঁড়ানোর দিন শেষ-bdtickets চায় সবাই যেন ঘরে বসেই, দিন-রাত যখন ইচ্ছে, অনলাইনে নিজের পছন্দের বাসের সিট কাটতে পারে, ন্যায্য দামে, নিশ্চিন্তে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেষ মুহূর্তে টিকিট খুঁজতে খুঁজতে অনেক সময় পছন্দের সিট তো দূরের কথা, বাসও মেলে না। তাই আগে থেকেই টিকিট কাটা বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ ভালো বাস, ভালো সিট পেলেই যাত্রাটা হয়ে ওঠে আনন্দময়।’

এ প্রসঙ্গে ইমতিয়াজ আহমেদ নামে এক গ্রাহক বলেন, ‘গতবার ঈদে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল টিকিটের জন্য। কিন্তু এবার বিডিটিকেটস অ্যাপ থেকে কোনো ঝামেলা ছাড়াই বাস সিলেক্ট করে পেমেন্ট করে ফেলেছি। এখন আরামে ঈদে বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারছি।’