মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্থিতিশীলতা এবং গতি বৃদ্ধির দিক থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্থিতিশীলতা, গতি বৃদ্ধি এবং মোবাইল ইন্টারনেট স্থিতিশীলতার দিক থেকে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক সম্প্রতি ‘ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্স-২০২১’ সালের প্রতিবেদন সম্প্রতি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৬ তম, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধির দিক থেকে ৪৪ তম এবং মোবাইল ইন্টারনেট স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩ তম।
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতিতে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮১ তম এবং পাকিস্তানের ১০৮ তম।
অপরদিকে মোবাইল ইন্টারনেট স্থিতিশীলতার দিক থেকেও পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে পিছিয়ে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্থিতিশীলতার দিক থেকে ভারত এবং পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ।
ইলেক্ট্রনিক অবকাঠামোর দিক থেকে ভারত ও পাকিস্তান থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ। ইলেক্ট্রনিক অবকাঠামোয় বাংলাদেশের অবস্থান ৮৯ তম, ভারতের ৯১ তম এবং পাকিস্তানের ১০৬ তম।
ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্স অনুযায়ী বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩ তম এবং এশিয়ার ৩২টি দেশের মধ্যে ৩০তম স্থানে বাংলাদেশের অবস্থান। ২০২০ এর তুলনায় বাংলাদেশের ২৫ ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের।
মোবাইল স্পিড, নেটওয়ার্ক রেডিনেস এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স রেডিনেসের দিক থেকে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্সের দেয়া তথ্যানুযায়ী ইন্টারনেট ক্রয়ক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম, ইন্টারনেট কোয়ালিটির দিক থেকে ৮৯তম, ইলেক্ট্রনিক সিকিউরিটির দিক থেকে ১০৩ তম এবং ইলেক্ট্রনিক গভর্নমেন্টের দিক থেকে ৮৬তম।