মেটাভার্সে আসছে অলিম্পিক মিউজিয়াম
এবার মেটাভার্সে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে এথেন্সের অলিম্পিক মিউজিয়াম। ফেসবুক নয়; ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রাচীন অলিম্পিয়া নির্মাণ করতে যাচ্ছে মার্কিন সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট। অলিম্পিক গেমসের এই আঁতুরঘরকে আসল রূপে ফিরিয়ে আনছে অগমেন্টেড রিয়ালিটি, ম্যাপ তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে আর্টিফিশাল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি।
মেটাভার্সে অলিম্পিয়ার দুই হাজার বছরের আগের রূপ তুলে ধরতে এরই মধ্যে গ্রিক সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ‘মাইক্রোফট টিমস’। চুক্তি অনুযায়ী, মাইনক্রাফটসহ অন্যান্য গেইমে গেইমাররা যেন নিজেকে পুরোপুরি নিমজ্জিত করতে পারেন সেজন্য অলিম্পিয়াকে যুৎসই একটি ত্রিমাত্রিক দুনিয়ায় পরিণত করতে চাইছে মাইক্রোসফট। এজন্য ডিজিটালি নির্মাণ করা হচ্ছে অলিম্পিক স্টেডিয়াম, জিউস এবং হেরার মন্দির ও প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত ভাস্কর ফিডিয়াসের কর্মস্থলসহ প্রাচীন অলিম্পিয়ার ২৭টি স্মৃতিস্তম্ভের ভার্চুয়াল জগত। আর এই নির্মাণ কাজের জন্য নিজস্ব ‘এআই ফর কালচারাল হেরিটেজ’ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকনেম’র সঙ্গে জোট বেঁধেছে মাইক্রোসফট।
প্রথম অবস্থায় ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করে মূল স্থাপনার কয়েক হাজার ছবি সংগ্রহ করেছে মাইক্রোসফট। পরবর্তীতে ওই ছবিগুলো ব্যবহার করে ডিজিটাল মডেল বানিয়েছে মাইক্রোসফটের এআই।
এ বিষয়ে মাইক্রোসফট প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথ মনে করছেন, প্রাচীন শহরটির বর্তমান ধ্বংসস্তুপের উপর ‘ডিজিটাল ওভারলে’এর মাধ্যমে মাইক্রোসফটের হলোলেন্স অগমেন্টেড রিয়ালিটি স্মার্টগ্লাসে আসল রূপের স্বাদ পাবেন দর্শকরা।
আর প্রযুক্তি ব্যবহারে গণতন্ত্রের জন্মস্থানের সঙ্গে নতুন প্রজন্ম নিজেদের অতীতের সঙ্গে সহজেই মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবে বলে মনে করছেন গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরাকোস মিতসোটাকিস।