বিক্রি হচ্ছে বহুজাতিক ফুডপান্ডা, শঙ্কা নেই বাংলাদেশের
বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বহুজাতিক খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডা। ব্র্যান্ডটির মূল প্রতিষ্ঠান ডেলিভারি হিরো সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে বলে খবর দিয়েছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনবিসি। বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডেলিভারি হিরো জানিয়েছে, তারা ফুডপান্ডার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উল্লেখযোগ্য অংশের শেয়ার বিক্রি করে দেবে। গত বুধবার জার্মান সংবাদমাধ্যম রিৎসশাফতভোখে জানিয়েছে, ডেলিভারি হিরো তাদের মালিকানায় থাকায় সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও লাওসে ফুডপান্ডার কার্যক্রম বিক্রি করে দেবে।
ফলে এতে বাংলাদেশের ফুডপন্ডায় কোনো প্রভাব পড়বে না বলে নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারিন রেজা। এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেছেন, "আমাদের কোম্পানীতে তাই কর্মীদের চাকরিচ্যুতর বিষয়টির অগ্রাধিকার এই মুহূর্তে ক্ষীণ। আমাদের ব্যবসায় গতিশীল করতে চাই আরও দক্ষ এবং বেশি চটপটে কর্মী। অফিসিয়াল বিবৃতি অনুসারে এজন্য আমারা আগামী দিনের জন্য আরও কাঠামোগত পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারি। সাংগঠিন গতিশীলতা ও নির্ঝঞ্চাট করতেই বস্তুত এসব উদ্যোগ নেয়া।
এদিকে আবারও কর্মী ছাঁটাই করার কথা জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের ফুডপান্ডা। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে কী পরিমাণ কর্মী ছাঁটাই করা হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি তারা।
তবে
সিএনবিসিকে পাঠানো এক ইমেইলে রিৎসশাফতভোখে বলেছে, ‘ডেলিভারি হিরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের বাজারে ফুডপান্ডার ব্যবসা বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছে বলে নিশ্চিত করেছে। তবে বিক্রিসংক্রান্ত আলোচনা বা পরিকল্পনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।’
জার্মান সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ডেলিভারি হিরোর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান গ্র্যাব এসব দেশে ফুডপান্ডা কিনে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে গ্র্যাবের কাছে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ডিবিএস ব্যাংকের টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিসার্চ বিভাগের প্রধান শচীন মিত্তাল ফুডপান্ডা বিক্রির বিষয়টি নিয়ে গত ২১ সেপ্টেম্বর একটি নোট প্রকাশ করেছিলেন। তাতে শচীন লিখেছিলেন, ‘গ্র্যাবের প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান গোজেক বা ফুডপান্ডা প্রতিনিয়তই বাজারের শেয়ার হারাচ্ছে। ফুডপান্ডার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, নির্দিষ্ট সময় পর বেশ কয়েকটি দেশের শেয়ারবাজার থেকে প্রতিষ্ঠানটির নাম বের হয়ে যেতে পারে।’







