নেক্সট ভেঞ্চার্সে মার্টিনেজ-পলক আড্ডা
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ এর সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সোমবার সকালে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নেক্সট ভেঞ্চার্সের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে মার্টিনেজকে বাজপাখির প্রতিকৃতি, পাটের তৈরি একটি নৌকা এবং বঙ্গবন্ধুর বই উপহার দেন তিনি।
আড্ডায় কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি রোমন্থন করেন মার্টিনেজ। আর পলক তুলে ধরেন নিজেসহ বাংলাদেশের আর্জেন্টাইন ভক্তদের কথা। ফুটবল ফ্যান পলকের প্রশ্নের জবাবে ফ্যান্সের বিপক্ষে বাম পায়ে বাঁচানো গোল ঠেকানোর স্থানটিতে উল্কি এঁকে স্মৃতি ধরেন রাখার বিষয়টি খোলাসা করেন মার্টিনেজ। শৈশবের অভাব ও দুঃসহ কষ্টের দিনগুলোর কথা তুলে ধরে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছৈন তিনি।
মার্টিনেজের সঙ্গে আড্ডার পর মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে উপহার সামগ্রী দেওয়ার কথা জানিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ হোসেন পলক বলেছেন, 'মার্টিনেজকে বাজপাখি উপহার দিয়েছে নেক্সট ভেঞ্চার্স। এতে সে খুবই খুশি হয়েছে। এছাড়া পাটের তৌরি নৌকা ও বঙ্গবন্ধুর বই তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।'
‘বাংলাদেশের মানুষ যে তাকে বাজপাখি বলে, সেটা সে জানে। বাংলাদেশের দেয়া ইউনিক একটা নামে ওকে সবাই ডাকে, এজন্য সে খুব আনন্দিত। নিজেকে সে বাংলাদেশের বাজপাখি হিসেবে পরিচয় দিতে খুব আনন্দ পায়। এটাও আমাদের বলেছে’ - যোগ করেন স্মার্ট প্রতিমন্ত্রী।

সূত্রমতে, ঢাকায় এসে বাংলাদেশি ভক্তদের দেয়া সেই ‘বাজপাখি’ নাম বাংলায় বলেছেন আলবিসেলেস্তে তারকা। পলকের সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে বলেছেন, ‘আমি মার্টিনেজ, আমি বাংলাদেশের বাজপাখি।’
এরপর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় মার্টিনেজকে। এসময় নিজের ব্যবহার করা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের একটি জার্সি তাকে উপহার দিয়েছেন ম্যাশ। মাশরাফির দুই সন্তানকে নিজের সাক্ষর সংবলিত জার্সি ও গ্লাভস উপহার দেন মার্টিনেজ। সেই সঙ্গে তোলেন সেলফিও।

এছাড়াও বাংলাদেশের মানুষের আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে মার্টিনেসের সামনে ফুটিয়ে তুলে ধরা হয়। এসময় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আব্দুল্লাহ জায়েদ উপস্থিত ছিলেন। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বাংলাদেশে এসে পৌঁছান ভোর সাড়ে ৫টায়। কাকডাকা ভোরে ঢাকায় পা দিয়েই চলে যান তিনি নির্ধারিত হোটেলে। সেখান থেকে সকাল ৯টার দিকে চলে আসেন প্রগতি সরণিতে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ফান্ডেড নেক্সটের কার্যালয়ে। তারপর সৌজন্য সাক্ষাত করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে। বাংলাদেশে ১১ ঘণ্টার সফর শেষে বিকেল ৫টার দিকে কলকাতার ফ্লাইট ধরবেন মার্টিনেস।







