নতুন কার্যালয় পেলো কুরিয়ার সার্ভিস লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ

১৩ অক্টোবর, ২০২২ ২০:০৪  
প্রাণবন্ত, টেকসই এবং সফল কুরিয়ার সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে  রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র জিপিও‘র প্রশাসনিক কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় স্থাপিত হয়েছে বাংলাদেশ মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই কার্যালয় উদ্বোধন করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: ফয়জুল আজিম বক্তৃতা করেন। এছাড়াও মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. মো: মহিউদ্দিন মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেছেন, চিঠিপত্রের যুগ শেষ হয়ে গেলেও ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির ফলে ডাক সেবা বিকাশের অফুরন্ত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রচলিত বিপণন ব্যবস্থায় বিক্রেতাদের জায়গায় ডিজিটাল কমার্সের প্রসার লাভ করায় গ্রাহক মোবাইলের বাটন টিপে তার নিত্য ব্যবহারের পণ্য ঘরে বসে পেতে চায়। এর ফলে ডাক ব্যবস্থার বিকাশের সুযোগ আরও বেড়েছে। ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় ডিজিটাল যুগের উপযোগী ডাক ব‌্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ডাকঘর ডিজিটাইজেশনের পথ নকশা আমরা তৈরি করছি। খুব শিগগিরই তা বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। মন্ত্রী কুরিয়ার সার্ভিস সমূহের প্রশাসনিক সিস্টেমসহ মনিটরিং কার্যক্রম পুরোপুরি ডিজিটাইজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এর ফলে নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে জবাবদিহীতার পাশাপাশি মেইলিং অপারেটর ও কুরিয়ার সার্ভিস সমূহের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা বাড়বে, দেশ-জাতি উপকৃত হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় ডিজিটাল যুগের উপযোগী ডাক ব‌্যবস্থা ইতোমধ্যে ১৪টি শর্টিং সেন্টার নির্মাণ ও ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। চালু করেছি পস মেশিন। একই সাথে রেলে চিলিং বগি ও ডাকের অন্যান্য গাড়িতে চিলিং ভ্যান চালু করার উদ্যোগ আমরা গ্রহণ করেছি। ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত মোস্তাফা জব্বার ডিজিটাল বাণিজ্যের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাকঘর ডিজিটাল করা অপরিহার্য উল্লেখ করে বলেন, আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো চিঠিপত্রের যুগ শেষ হওয়ায় দুর্দশাগ্রস্থ ডাক সার্ভিসকে একটা ভাল অবস্থানে নিয়ে যাওয়া। আমরা ইতোমধ‌্যে সেটা পেরেছি। দেশব্যাপী ডাকঘরের যে বিশাল অবকাঠামো ও জনবল আছে তা দেশের অন্য যেকোন প্রতিষ্ঠানের নেই উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী মেইলিং ও কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষকে শক্তিশালী করণে যথাযথ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।