নগরীতে গ্যাসের গন্ধ গুজব নয়, আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ
রাজধানীর, তেজতুরি পাড়া, মতিঝিল, আরামবাগ, হাজারীবাগ, বাড্ডা, বনশ্রী, বসুন্ধরা মগবাজারসহ কিছু এলাকায় গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে রাত ১১টা থেকে। এ নিয়ে উদ্বেগে আছেন নগরবাসী। খবরটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যরাতে গ্যাস দুর্ঘটনা আতঙ্কে ভুগছেন নগরবাসী।
অতিরিক্ত গ্যাসের চাপের তিতাস লাইনের সুক্ষ্ম লিকেজ থেকে এমন গন্ধ আসছে বলে জানাগেছে। তবে এ নিয়ে নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে চুলা না জ্বালানোর পরামর্শ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
অপরদিকে ঈদে শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায়, সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে গ্যাসের চাপ বেড়ে যাওয়ায় (ওভার-ফ্লো) গন্ধ বাইরে আসছে বলে জরুরী ঘোষণায় জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। জ্বালানী ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু’র শেয়ার করা ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়েছে, তিতাসের জরুরি ও টেকনিক্যাল টিম বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে৷ নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ৷
গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার খবর প্রথম আসে রামপুরা থেকে। স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯–এ ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পুলিশ জানায়, রামপুরার মোল্লাবাড়ি, রামপুরা বাজার ও তালতলা এলাকার রাস্তায় গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
এ নিয়ে তিতাসের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঈদের ছুটিতে সব শিল্প কারখানা বন্ধ থাকায় ঢাকায় গ্যাসের প্রেশার বেড়েছে। আবার ঢাকা শহরের অনেক জায়গাতেই গ্যাস লাইনে ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে। সাধারণ সময়ে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ওই লিকেজ দিয়ে গ্যাস বের হয়না। এখন হয়তো ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে গ্যাস লিকেজ হয়ে থাকতে পারে। গ্যাস লিকেজ চেক করার জন্যে অডোরেন্ট ব্যবহার হয়ে থাকে। সম্প্রতি ঢাকার কয়েকটি জায়গায় অডোরেন্ট ব্যবহারের আলোচনা হয়েছিল। হয়তো অডোরেন্ট ব্যবহারের জন্যে গন্ধ পাওয়া জাচ্ছে। আগে গ্যাসে অডোরেন্ট ব্যবহার করা হতোনা। গ্রাহক তিতাস গ্যাস সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ জানাতে পারে ১৬৪৯৬ নম্বরে। এই হটলাইন নম্বরটিতে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।







