উষ্ণ আবহাওয়া করোনা ভাইরাসের জম
দেশে এই প্রথম শনাক্ত হলো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী। তাদের মধ্যে দুইজন ইতালি ফেরত রয়েছেন। রোববার (৮ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। এই ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকতে বার বার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং বাইরে মাস্ক পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনটি অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এর পর থেকেই করোনমায় হয়ে উঠে দেশের সোশ্যাল মিডিয়াগুলো। সংবাদটির পাশপাশি এই নভেল ভাইরাস নিয়ে নানা সচেতনতা বার্তা ঘুরছে ফেসবুক, টুইটারে।
সচেতনতার পাশাপাশি ভয়, এবং বিমান বন্দরের থার্মাল মিটারের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন রাখছেন অনেকেই। তবে ভয়-কে জয় করে সকলকেই এই মিডিয়াটিকে কল্যাণ ও মুক্তির কাজে ব্যয় করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আশার কথা, এখন গ্রীষ্মকাল হওয়ায় এই ভাইরাসটি খুব একটা আঘাত করতে পারবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
কেননা, কেভিড ১৯ ভাইরাসটি ২২°-২৭° ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মারা যায়। এছাড়াও গরম পানি খেলে এবং সূর্যের আলোয় থাকলে করোনাভাইরাস কার্যকর হতে পারে না।
ইউনিসেফ এর তথ্য অনুযায়ী, উষ্ণ- লবণপানিতে গার্গল করলে করোনাভাইরাস মরে যায় এবং টনসিল ও ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়াও গরম পানি খেলে এবং সূর্যের আলোয় থাকলে করোনাভাইরাস কার্যকর হতে পারে না।
তাছাড়া ৪০০-৫০০ মাইক্রোমিটার আকারের এই ভাইরাসটি বায়ুবাহী নয়, আকারে বড় ও ভারী বলে এটা মাটিতে পড়ে থাকে।
সুতরাং যে কোনও মুখোশ যেটা এই আকারের বস্তুকে প্রতিহত করতে পারে সেটা ব্যবহার করলেই হবে। আর আইসক্রিম এবং ঠান্ডা আবহাওয়া পরিহার করাই ভালো।