ইন্টারনেট অফিস খোলা রাখায় পুলিশী হেনস্থা
করোনা পরিস্থিতিতে দশ দিনের ছুটিতে ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগকে জরুরি সেবা হিসেবে সরকার ঘোষণা দিলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেয়ার কাজে নিয়োজিত কর্মীদের নানা রকম বাধার সম্মুখিন হতে হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন ভাবে বেশ কিছু স্থানে স্থানীয় লাইন মেরামতের কাজ করতে গিয়ে পুলিশের হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্রমতে, দেশজুড়ে ১০-১২টি স্থানে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জাতীয় সংগঠন আইএসপিএবি’র মহাসচিব ইমদাদুল হক বলেন, পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার কথা থাকলেও দেখা যাচ্ছে যে, ইন্টারনেট সেবা প্রদানের কাজে প্রতিষ্ঠানগুলো বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্নস্থানে বিভিন্নভাবে হেনস্থার স্বীকার হচ্ছে। কিছুক্ষণ (শুক্রবার) আগে জানতে পারলাম, মোহাম্মাদপুর কাটাসুর ৩ নম্বর গোলির লাইসেন্সধারী একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এক ব্যবসায়ীকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চনা করা হয়েছে অফিস খোলা রাখার অপরাধে। সেই ব্যবসায়ী সরকারী চিঠি দেখানোর পরেও পুলিশ কর্তৃক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক।
এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং নির্বোধের মতো কাজ। আমি ঢাকা ও নেত্রোকনায় এ ধরনের ঘটনার খবর পেয়েছি। যেহেতু ২৪ মার্চ মেবাইল ও ইন্টারনেট সেবাকে জরুরী সেবা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই হয়তো চিঠিটি থানার দারোগাদের হাতে গেলেও কোনো কোনো পুলিশের কাছে নাও পৌঁছতে পারে। তবে এটা অনভিপ্রেত ও ব্যক্তিগত পর্যায়ের। তবে বড় স্কেলে কিছু হলে আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেবো।
এরা আগে বুধবার মোবাইল অপারেটরের কর্মীরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে নানা রকম বাধার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফরহাদ।