আরো ‘টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট’ চান টেলিকম সংশ্লিষ্টরা

১১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:১১  
টেলিকম খাতের উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা মেটাতে আরো ‘টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট’ তৈরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারিক শিক্ষা অন্তর্ভূক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশের মোবাইল যোগাযোগ ও আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ’ ওয়েবিনারে এমনটাই জানিয়েছেন বক্তারা। বক্তব্যে শিক্ষকদের গবেষণায় মনযোগ নেই উল্লখ করে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিটিআরসি ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত রয় মৈত্র। টেলিকম খাতের নিয়োগদাতাদের উদ্দেশে নবীন গ্রাজুয়েটদের জন্য সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানান তিনি। বাজার প্রবৃদ্ধিতে বিটিআরসি সবার জন্য সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে উল্লেখ করে এই খাত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন বলে উল্লেখ করে সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ। তবে জাতিসংঘ সূচকে বাংলাদেশে অবস্থান নিয়ে আরো উন্নতি করতে দক্ষ মানবস্পদ গড়ে তোলার জন্য টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সংখ্যা বাড়োনোর পরামর্শ দেন তিনি। অপরদিকে জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে টেলিকম খাতের ইতিবাচক ধারা তুলে ধরেন বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার তাইমুর রহমান। তিনি বলেন, ৯০ শতাংশ মানুষ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে, ১০ শতাংশ আইএসপি। বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গেছে, ১ শতাংশ মোবাইল পেনিট্রেশন হলে ০.২৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধি পায় এবং ১০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে ১.৩৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধি পায়। একটি সমাজকে উন্নত করতে হলে মোবাইল টেকনোলজি এবং টেলিকম খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশে ১৫-২৪ বছরের তরুণরাই ইন্টারনেট বেশি ব্যবহার করে। অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) এর জেনারেল সেক্রেটারি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর তাসলিম আরফিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাসোসিয়েট ডিন প্রফেসর ড. এ কে এম ফজলুল হক।