তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া: ড. মঈন খান
ইউএস-বাংলাদেশ ককাসের মাধ্যমে ডিজিটাল ট্রেড ইকোসিস্টেমের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক প্রযুক্তি পেশাদার, উদ্যোক্তা ও রাজনীতিকদেদের সমন্বয়ে চার মাস আগে গঠিত হয় ভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীদেরগবেষণা জোট গ্লোবাল বাংলাদেশী অ্যালায়েন্স। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের মাটিতে প্রথম নীতি সংলাপ করলো নতুন এই সংগঠনটি। গুলশানের হোটেল বাংলা ব্লুবেরিতে এই নীতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ড. মঈন খান।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে নেতৃত্ব গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন জিবিএ চিফ কো-অর্ডিনেটর ড. গোলাম রব্বানি নয়ন। তিনি বলেন, অচিরেই আমাদের একটি টিম বাংলাদেশে আসবে। তবে হালুয়া-রুটি ভাগবাটোয়ারার জন্য নয়। আমরা সকলকে নিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠন করতে চাই। পলিসি ডায়লগে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিবিএ কো-চেয়ার মিজান চৌধুরী। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং সুগঠিত সমঝোতার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের ভবিষ্যত। ককসা মিশনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যত উন্নয়নে আমরা নীতি উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসায়, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, নতুন অর্থনীতি, সুলভ স্বাস্থ্য সেবা এবং শিল্প ও সংস্কৃতিক খাতে কাজ করতে চাই। কেননা, উদ্ভাবন, সুশাসন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত।
সং
লাপে অর্থনীতি ও দক্ষতা উন্নয়নে ইউএস বাংলাদেশ ককাস নিয়ে নীতি বিষয়ক আলোচনা করা হয়। প্যানেল আলোচনায় নেতৃত্ব দেন জিবিএ কো-চেয়ার কাউসার চৌধুরী। আলোচক ছিলেন মিঃ মুনাফ, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অর্থনীতিবিদ নাভেদ মঞ্জুর।
গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স সহ প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সোহেলের সঞ্চালনায় প্রথান অতিথির বক্তব্যে সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ড. মঈন খান বলেন, দেশে আইসিটি বা তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সেই সূত্র ধরে সামনে না এগোলে পূর্বসূরিদের প্রতি সুবিচার করা হবে না। ড. মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধন দৌলত অর্থ বিত্তের বিপরীতে স্বাধীনতা চায়। মানুষের এই স্বাধীনতার সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে এগিয়ে নিতে পারে সেটাই বড় প্রাপ্তি।







