ঢামেকের সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) চিকিৎসকের সংঘর্ষের ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করতে ঢাবি মেডিক্যাল ফ্যাকাল্টির ডিনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার সকালে এই কমিটি ঘটনা অনুসন্ধানে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
প্রতিবেদন পাওয়ার পর দোষীদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান। ৮ এপ্রিল, বুধবার রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে ঢামেকের প্রশাসনিক ব্লকে বৈঠক শেষ এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসা সেবা প্রায় ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর জরুরি সেবা চালু করেছে চিকিৎসক। তবে ওই বৈঠকের পর আল্টিমেটাম দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। মারামারির এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করা না হলে কমপ্লিট শাটডাউন দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। সন্ধ্যার পর ঢাকা মেডিক্যালে ইন্টার্ন চিকিৎসক দীপ্ত নুর কল্লোল জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কমপ্লিট শাটডাউনের আল্টিমেটাম ইন্টার্ন চিকিৎসকদের।
এর পরিপ্রেক্ষিতে রাত নয়টায় সংঘর্ষের ঘটনায় সমস্যা সমাধানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে হাসপাতালের পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, পুলিশে ডিসি ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিসহ উভয় পক্ষ আলোচনায় বসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের শিক্ষার্থী সানিম (২৩) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জ্বর ও পেটব্যথা নিয়ে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে যান। এ সময় তাকে দেওয়া প্রেসক্রিপশনের একটি ইনজেকশন খুঁজে না পাওয়ায় কয়েকজন শিক্ষার্থী চিকিৎসকদের এসে জানান। এরপর বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং কয়েক দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
ডিবিটেক/ এনডিএ/ ইকে







