এলো কার্ডবিহীন কিস্তিতে ডিভাইস-বান্ডেল অফার
এখন থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদি ডেটা ও ভয়েস প্যাকেজসহ সহজ কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে পারবেন মোবাইল ফোন ক্রেতারা। দুটি দীর্ঘমেয়াদি কম্বো বান্ডেল সুবিধায় পামপে রিটেইল পার্টনারের মাধ্যমে বা গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে গ্রাহকরা এখন আইটেল, টেকনো ও ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন কিস্তিতে (ইএমআই) কিনতে পারবেন। বান্ডেলটি পুরো মেয়াদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে চালু হবে এবং পামপে অ্যাপের মাধ্যমে কিস্তির অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন গ্রাহকরা। এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের মূল ব্যালেন্সে কোন পরিবর্তন হবে না।
এজন্য ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার নিজেদের সহযোগী পামপে-এর সাথে পার্টনারশিপ চুক্তি করেছে গ্রামীণফোন। রাজধানীর জিপি হাউসে গ্রামীণফোনের সিনিয়র ডিরেক্টর এবং হেড অব ইন্টারনেট অ্যান্ড ব্রডব্যান্ড মো. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া এবং পামপে’র চিফ অপারেটিং অফিসার ক্রিস চেং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ বিষয়ক চুক্তিতে সই করেন। এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান এবং চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পামপে’র পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিফ অপারেটিং অফিসার ক্রিস চেং, চিফ সেলস অফিসার জ্যাক ঝা এবং অন্যান্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিবৃন্দ।
চুক্তি অনুযায়ী, এখন থেকে শুধু পামপে প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিন হাজার ৯৯৬ টাকায় ২২৫ জিবি ডেটা ও চার হাজার ৫০০ মিনিট এবংচার ৯৯৬ টাকায় ৩৬০ জিবি ডেটা ও ছয়৩০০ মিনিটের এ দুটি বান্ডল উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা । উভয় বান্ডেলের মেয়াদ ২৭০ দিন।
গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, “গ্রাহকদের জন্য সবসময় উন্নত ও নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেয় গ্রামীণফোন। পামপে’রর সাথে এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমরা এমন একটি সেবা চালু করতে পেরেছি যাতে ডিভাইস ও কানেক্টিভিটি কেনা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে। সুবিধাজনক কিস্তি সুবিধার পাশাপাশি আকর্ষণীয় বান্ডেল যোগ করে আমরা শুধু প্রাথমিক খরচের সীমাবদ্ধতা দূর করছি না, সহজ হয়েছে দীর্ঘমেয়াদে সংযুক্ত থাকার সুযোগ যা ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রতিফলন।”
পামপে লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জুন ঝেং ইথান যোগ করেন, “গ্রামীণফোনের সাথে আমাদের পার্টনারশিপ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ আমরা শুধু স্মার্টফোন অর্থায়নের প্ল্যাটফর্ম থেকে আরও বিস্তৃত সেবার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। গ্রাহকদের জন্য একটি সাশ্রয়ী ইএমআই প্ল্যানের মাধ্যমে একইসাথে নির্ভরযোগ্য সার্ভিস বান্ডেল এবং স্মার্ট ডিভাইস দিতে সংকল্পবদ্ধ আমরা। আমরা একসাথে বাংলাদেশের ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তির একটি নতুন মডেল চালু করছি, যা আরও বেশি মানুষকে ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে।”







