১১ জেলায় অচল মোবাইল টাওয়ারের সংখ্যা নেমেছে ০.৯ শতাংশ
টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পানির ঢলে আকস্মিক বন্যায় ডুবেছিল দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১ জেলা। বানের পানিতে ডুবে যায় এসব এলাকার মোবাইল অপারেটর কোম্পানির টাওয়ারের গ্রিনফিল্ড ও নিচের নিয়ন্ত্রণ কক্ষগুলো। সঙ্গে যুক্ত হয় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নতা। ফলে বন্ধ হয়ে যায় এসব এলাকার দুই হাজারের বেশি সাইট। সাইট চালু করতে অপারেটরদের পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। যোগাযোগের জন্য বোট থেকে শুরু করে জ্বালানী তেল সরবরাহ সহ দ্রুততম সময়ে সংযোগ চালু করতে বিশেষ উদ্যোগ নেয় কমিশন। খোলা হয় অস্থায়ী পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। এরপর এই সংখ্যা নেমে আসে দ্রুত গতিতে।
এই কক্ষ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১০ দিনের প্রচেষ্টায় ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আক্রান্ত এলাকায় থাকা ১৪ হাজার ৫৫১টি সাইটের মধ্যে সচল হয়েছে ১৪ হাজার ৪১৩টি। অর্থাৎ অচল সাইটের সংখ্যা নেমে এসছে শুন্য দশমিক ৯ শতাংশে। এক দিনের ব্যাধানে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ফেনীতে। সেখানে অচল সাইটের সংখ্যা এখন ২৪টি। শতকরা হিসেবে এই হার মাত্র ৩.৫ শতাংশ। কারিগরি ত্রুটির কারণে স্বাভাবিক সময়ে অপারেটরদের টাওয়ার সমস্যার হার মেনে নেয়া হয় সর্বোচ্চ ২ শতাংশ।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এখন বন্যা কবলিত ১১টি জেলার মধ্যে নোয়াখালী জেলায় ১৬টি, লক্ষ্মীপুর জেলায় ৬টি, ফেনী জেলায় ২৩টি, কুমিল্লা জেলায় ১১টি, ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলায় ১১টি, চট্টগ্রাম জেলায় ১৭টি, খাগড়াছড়ি জেলায় ১০টি, হবিগঞ্জ জেলায় ১২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি, সিলেট জেলায় ১২টি এবং কক্সবাজার জেলায় ৪টিসহ মোট ১২৯টি টাওয়ার অচল হয়ে আছে।
প্রসঙ্গত, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি টাওয়ার অচল হয়ে পড়ে গত ২২ আগস্ট। ওইদিন ১২টি জেলায় বন্যার পানিতে অচল হয়ে যায় ৫টি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির প্রায় ২ হাজার ২৫টি সাইট।







