হানাহানি-সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার জন্য ভুয়া অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দায়ী
বাংলাদেশে যত ধরনের হানাহানি ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে সবগুলোর জন্য ভুয়া অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, নাসিরনগর, রামু, কুমিল্লা, বরিশালে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ঘটনায় ভুয়া অনলাইন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দায়ী। তাই এসব ব্যাপারে আমাদের এক্সট্রা কেয়ারফুল হতে হবে। তা না হলে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটবে। এসব ঘটনা আমরা মোকাবিলা করেছি এবং যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
এসময় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, আমাদের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিকাশ এবং বিস্তৃতিতে বিশ্বাস করে৷ আমরা মনে করি গণমাধ্যমের বিকাশের সঙ্গে রাষ্ট্রের বিকাশ যুক্ত। গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা যুক্ত৷ বহুমাত্রিক জনমতের বিকাশ যুক্ত। ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থার বিকাশ যুক্ত৷ গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে৷ বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে এখন ৩৫টি বেসরকারি টেলিভিশন সম্প্রচারে আছে, সরকারি ৪টি টেলিভিশন আছে৷ আমরা প্রায় ৫০টি টেলিভিশনের লাইসেন্স দিয়েছি। এখন দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ৫৬০ থেকে ১২৬০টিতে উন্নীত হয়েছে৷ পত্রিকা এবং অনলাইন মিলে ২০০ কাছাকাছি পোর্টাল আমরা রেজিস্ট্রেশনের অনুমতি দিয়েছি৷ নতুন গণমাধ্যম বিকশিত হওয়ায় অনেক মানুষের চাকরির সংস্থান হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ আজ ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে৷ ১৭ কোটি মানুষের দেশে ১৮ কোটি সিম ইউজ হয়৷ কারও দুই-তিনটা করে সিম। আমরা সরকার গঠন করার আগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৬০ লাখ। এখন সেটা ১২ কোটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন ৬ থেকে ৭ কোটি মানুষ।এখন দেশ সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল হয়েছে।







