সুফল ও আগামীর চ্যালেঞ্জ জানাতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’
‘সত্য মিথ্যা যাচাই আগে, ইন্টারনেটে শেয়ার পরে' স্লোগানে দেশের ১৬ কোটি মানুষের কাছে ডিজিটাল বাংলাদেশের অর্জন তুলে ধরতেই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস-২০১৯’ উদযাপন করা হবে। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমেই শুরু দিবস উদযাপন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ৩য় বারের মত ১২ ডিসেম্বর দেশজুড়ে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস-২০১৯।
সোমবার (১০ ডিসেম্বর) আইসিটি বিভাগে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে আগামীতে ডিজিটাল বাংলাদেশের কি কি ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে তাও নির্ণয় করা হবে।
অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন , ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি হবে তখন বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশর রূপকল্পটি তরুণ প্রজন্মকে উৎসর্গ করেছিলেন।
তিনি আরো বলেন, ১৬ কোটি মানুষ এখন ডিজিটাল সেবার সুফল পাচ্ছে। ৩৮০০ ইউনিয়েন অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের মাধ্যমে ইন্টারনেট পৌঁছে গেছে। ২০২১ সালের মধ্যে ৪৫০০ ইউনিয়নে ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে। সারাদশের ৬৪ জেলায় শেখ কামাল আইটি ল্যাব স্থাপন করা হবে।
পলক বলেন, ৬ বছর আগে কলসেন্টারগুলোর ২টি প্রধান দাবি ছিল, বিদুৎ সংযোগ আর উচ্চ গতির ইন্টারনেট। এখন তাদের এই দাবি আর নেই। এখন সেগুলো পূরণ হয়ে গেছে। এখন তাদের দাবি দক্ষ মানবসম্পদ।
সত্য মিথ্যা যাচাই আগে, ইন্টারনেটে শেয়ার পরে' এই বারের ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস এর প্রতিপাদ্য এইটা রাখার উদ্দেশ্য হলো ডিজিটাল প্রযুক্তি দিয়ে ব্যক্তি, পরিবার, রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়। বিশ্বে সাইবার যুদ্ধ চলছে আমাদের তরুণরা যাতে সঠিক ভাবে মোকাবেলা করতে পারে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১২ ডিসেম্বর দেশের জেলা-উপজেলাসহ সারা দেশে পালিত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস। সারাদিন ব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা হবে। উপজেলা র্যালী, ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসের প্রতিপাদ্য সেমিনার, আলোচনা সভা, রচনা, কুইজ প্রতিযোগিতা। এছাড়াও দেশের বাইরে বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাসের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এন এম জিয়াউল আলম এবং বাক্যের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরীফ।