ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জিকা, ম্যালেরিয়ার মতো নানা রোগের বাহক মশা। মশা নিয়ে এখন রীতিমতো আতঙ্কে আছেন নগরবাসী। এই আতঙ্ক থেকে নিস্তার পেতে মশারি বা সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
তারপরও এটি নিরোধে ইতিমধ্যেই ‘ফোটোনিক ফেন্স’ নিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা নাথান মারভোল্ড। অবশ্য এক দশকেও বিশেষ জাল আকারের লেজার রশ্মি ছোড়ার এই প্রযুক্তিটি আলোর মুখ দেখেনি।
কিন্তু এরই মধ্যে মেশিন লার্নিং পদ্ধতিতে অ্যাকুয়াস্টিক শব্দ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রজাতির মশা শনাক্তের একটি অ্যাপ তৈরি করছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা । অ্যাপটি ৩ হাজার ৬০০ প্রজাতির মশা শনাক্ত করতে পারলেও মশাবাহিত রোগ রোগ দূর করতেপারে না। কেবল সম্ভাব্য রোগবাহিত মশা সম্পর্কে ধারণা দেয়।
মশার যন্ত্রণা দিতে কয়েকটি অ্যাপ রয়েছে গুগল প্লে স্টোরে।
এরমধ্যে মোাবইল ফোনে বিশেষ শব্দ তৈরি করে মশাকে দূরে সরানোর অ্যাপ মশকুইটো কিলার। (
https://apkpure.com/mosquito-killer/com.mosquitokiller.mosquitokiller)
এবং (
https://play.google.com/store/apps/details?id=www.jtm.mosquitokiller&hl=en
) আছে মশকুইটো সাউন্ড অ্যাপ (
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.usefullapps.antimosquitoprank&hl=en) এবং
https://apkpure.com/anti-mosquito-killer-sound-simulator/mosquito.insectkiller.repellent
লক্ষাধিক ডাউনলোড হওয়া এপিকে’র মধ্যে আছে ফ্রস্ট অ্যাপ
https://www.apk20.com/apk/91178/
তবে এই অ্যাপগুলো কতটা কার্যকর তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
আর ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সংকেত দিয়ে মশার মস্তিষ্কে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়ে মশার কামড় থেকে সাময়িক মুক্তি দিতে সক্ষম একটি রিস্টব্যান্ড তৈরি করেছে নোপিক্সগো নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের তৈরি ডিভাইস এক ধরনের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সংকেত দিতে সক্ষম যাতে দুর্বল তরঙ্গ তৈরি হয়, যা মশাকে ঝড়ের সংকেত দেয়। এতে মশা দূরে চলে যায়।