বাজেটে বিজ্ঞানে ৭৮৬ ও তথ্যপ্রযুক্তিতে বরাদ্দ বেড়েছে ৫২৬ কোটি টাকা, টেলিকমে কমেছে ৫৩ কোটি টাকা

১ জুন, ২০২৩ ১৫:১৫  

২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণলয়ের জন্য বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ১৩ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা। ২২-২৩ অর্থবছরে বরাদ্দ প্রস্তাব ছিলো ১৬ হাজার ৬১৪ কোটি টাকা। তবে বরাদ্দ পেয়েছিলো ১২ হাজার ৮২১ কোটি টাকা। হিসাব মতে, এবার  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণলয়ে বরাদ্দ বাড়ছে ৭৮৬ কোটি টাকা।

অপরদিকে  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ পাচ্ছে দুই হাজার তিনশ ৬৮ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে বরাদ্দ পেয়েছিলো ১৯১৬ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে ছাড় দেয়া হয় এক হাজার ৮৪২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এবার বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের বরাদ্দ বেড়েছে ৫২৬ কোটি টাকা।

তবে প্রস্তাবিত বাজেটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভগের বরাদ্দ কমেছে ৫৩ কোটি টাকা। এবার এই বিভাগের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে ২ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। গেলো অর্থবছরে এই মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ প্রস্তাব ছিলো দুই হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। সেখান থেকে সংশোধিত বাজেটে বাড়িয়ে বরাদ্দ দেয়া হয় ৩ হাজার ৪৪ কোটি টাকা।  

এছাড়াও কারিগরি ও মাদারাসা বিভাগের বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়া ৯৯ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকার মধ্যে সংশোধিত বাজেটে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ ছিলো ৮৫ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এবারে বরাদ্দ বেড়েছে ৭১ হাজার ৩৩ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তাফা কামাল । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।

বাজেট বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার শিল্পের বিকাশের লক্ষ্যে মূসক অব্যাহতি প্রদান ও বহাল রাখার প্রস্তাব করছেন অর্থমন্ত্রী।  

এজন্য অপটিক্যাল ফাইবারের উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি প্রদান এবং এ অব্যাহতির মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একইসঙ্গে ‘কিছু সংখ্যক সফটওয়্যার আমদানিতে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বিদ্যমান থাকলেও অধিকাংশ সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক থাকায় দেশীয় সফটওয়্যার শিল্পের প্রতিরক্ষণের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে সফটওয়্যার আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্কের সঙ্গে ১৫ শতাংশ মূসকও আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

২৫ জুন অর্থবিল এবং ২৬ জুন আগামী অর্থবছরের বাজেট পাস হবে। এর আগে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেবেন সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। বাজেট নিয়ে সংসদে মোট ৪০ ঘণ্টা আলোচনা হবে।