ডিজিটাল অর্থনীতি ও তথ্যপ্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া
ডিজিটাল অর্থনীতিতে প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণের অর্ন্তভূক্তিমুলক অংশ নিশ্চিতে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোক্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স, ন্যানোটেকনোলজি এবং সাইবার নিরাপত্তাসহ অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ইকোনমিক ফোরাম ও মালয়েশিয়া সরকার অংশীদারীত্বের ভিত্তিতে কাজ করার জন্য এগিয়ে আসতে পারে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অর্জিত অভূতপূর্ব অগ্রগতি ও সাফল্যের প্রশংসা করে ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ইকোনমিক ফোরামের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ হামিদ আলবার বলেন, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে আইসিটি বিষয়ক দক্ষতার উন্নয়ন ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান বিনিময়ে ভ্রাতৃপ্রতীম দুই দেশ একসাথে কাজ করতে পারে। পর্যটন, শিক্ষা এবং সম্ভাবনাময় অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক সুযোগ তৈরিতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান তিনি।
আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দল আইসিটি টাওয়ারে অবস্থিত এটুআই কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এসময় প্রতিনিধি দলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দকে স্বাগত জানান এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর এবং শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে ‘দ্য এটুআই জার্নি’ এবং ‘আমার ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকাশনা হস্তান্তর করেন। এসময় পারস্পরিক সুবিধা, সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভবিষ্যতে বিভিন্ন উদ্ভাবন প্রদর্শনীর আয়োজন এবং অর্জিত জ্ঞান বিনিময়ে বিভিন্ন কর্মশালা এবং ওয়েবিনার আয়োজনে ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ইকোনমিক ফোরাম ও এটুআই সম্মতি প্রকাশ করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর জনাব আনীর চৌধুরী, সোশ্যাল ইনোভেশন ক্লাস্টার প্রধান জনাব মানিক মাহমুদ, ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশনস অ্যাডভাইজর আশফাক জামান এবং এটুআই ও ডব্লিউআইইএফ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।







