ই-ক্যাব সদস্যদের জন্য সিঙ্গারের এনএফসি প্রিভিলেজ কার্ড
স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে সদস্যদের জন্য স্মার্ট মেম্বারশিপ কার্ড দিচ্ছে ই-ক্যাব। সদস্যদের জন্য বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন এই এনএফসি কার্ড এর উদ্বোধন করা হয়। রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার এই কার্ড এর উদ্বোধন করেন বলে রবিবার জানিয়েছে ই-ক্যাব।
সংগঠনের পক্ষ থেকে সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড এর সহযোগিতায় এই কার্ড সেবা চালু করছে ই-ক্যাব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক এবং সিঙ্গারের পরিচালক এবং প্রধান সিএফও মিস্টার ইগিট ইমরে সেলুনার।
ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এর মতো ই-কমার্স সেবা জনপ্রিয় করাও একটি আন্দোলন এর মতো। প্রথমদিকে মানুষ এগুলো না বুঝলেও এখন এগুলো আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। সরকারের নীতি ও উদ্যোক্তাদের কর্মনিষ্ঠার সাথে ই-ক্যাবের ধারাবাহিক কর্মপ্রচেষ্টায় আজ ই-কমার্স জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ ধরনের কার্ড চালু হলে একদিকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে যাবে অন্যদিকে সদস্যরা নানাবিধ সুবিধা পাবে।
জুনাইদ আহমদ পলক বলেন, সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি হলো স্মার্ট বিজনেস। সে বিজনেস নিশ্চিত করবে ই-কমার্স খাত। করোনার মতো সব ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করে এই খাত এগিয়ে যাবে সেজন্য সরকার ও উদ্যোক্তারা একজোট হয়ে কাজ করবে।
ই-ক্যাব জানিয়েছে এই কার্ড এর মাধ্যমে সদস্যরা শতাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন সুবিধা পাবে এছাড়া ই-ক্যাবের অফিস ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পাবে প্রবেশাধিকার। এই কার্ডে ধীরে ধীরে আরো সুবিধা যুক্ত হবে এবং ই-ক্যাবের সব সদস্যকে এই কার্ড ক্রমান্বয়ে প্রদান করা হবে, বলছিলেন ই-ক্যাবের মেম্বারস অ্যাফেয়ার্স স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মামুন ও কো-চেয়ারম্যান হোসনেআরা নূরী নওরীন।
সিঙ্গার বাংলাদেশ এর পরিচালক এবং প্রধান সিএফও মিস্টার ইগিট ইমরে সেলুনার তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের উন্নতি চোখে পড়ার মতে। তার প্রতিষ্ঠান ই-ক্যাবের সদস্য উদ্যোক্তাদের সাথে থাকতে পেরে গর্ববোধ করছে।
ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার ছাড়াও উপদেষ্টা নাহিম রাজ্জাক, সহ- সভাপতি সাহাব উদ্দীন শিপন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল, সহ-সাধারণ সম্পাদক নাসিমা আক্তার নিশা, অর্থ সম্পাদক আসিফ আহনাফ ও অন্যান্য পরিচালকেরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
একইদিনে দ্বিতীয় পর্বে ৩৪ টি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয় ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ড। দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি ও সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।







