আগষ্টে শুরু হবে ১০টির বেশি নিবন্ধিত সিম বাতিল প্রক্রিয়া
বর্তমানে একটি পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করা যায়। এই সংখ্যা ১০টিতে নামিয়ে আনার উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হবে আগামী ১ আগস্ট থেকে। তবে নিবন্ধিত অতিরিক্ত ৫টি সিম বাতিল করতে নভেম্বের পর্যন্ত সময় পাবেন গ্রাহকরা।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিটিআরসি সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে। সূত্রমতে, গত মে মাসে বিটিআরসির ২৯৬তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০টির অতিরিক্ত সিম বন্ধ করে দেয়া হবে। তার আগে গ্রাহকদের অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি দেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর পরই বাড়তি সিমগুলো বন্ধ বা ডিরেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর পুরো প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে ৫ থেকে ৬ মাস সময় লাগতে পারে।
এই উদ্যোগ বাস্তাবয়ন হলে বিদ্যমান নিবন্ধিত ২৬ লাখ ব্যবহারকারীর ৬৭ লাখ সিম বন্ধ হয়ে যাবে। বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানাগেছে, নতুন মাসেই অতিরিক্ত সিম ডিরেজিস্ট্রেশন করতে ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করবে অপারেটররা। এ ছাড়া বিটিআরসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক বা অনলাইন সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে গ্রাহকদের অবহিত করা হবে।
এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে মোবাইল অপারেটরদের এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়ারর কথা ছিলো। তবে মোবাইল অপারেটররা জানায়, তারা এখনো কোনো নির্দেশনা পায়নি।
বিটিআরসির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত প্রকৃত সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৫। এর মধ্যে ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশ ব্যবহারকারীর নামে ৫টি বা তার কম সিম রয়েছে। ৬ থেকে ১০টি সিম রয়েছে ১৬ দশমিক ২৩ শতাংশ ব্যবহারকারীর কাছে। ১১ থেকে ১৫টি সিম ব্যবহারকারী মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।







