চুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো গবেষণা-ভিত্তিক প্রতিযোগিতা সাই-ব্লিটজ ১.০

চুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো গবেষণা-ভিত্তিক প্রতিযোগিতা সাই-ব্লিটজ ১.০
২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৩:১৭  
২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৬:২০  
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অনুষ্ঠিত হলো গবেষণা-ভিত্তিক প্রতিযোগিতা সাই-ব্লিটজ ১.০।  প্রতিযোগিতায় দেশের ৩৮টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণাভিত্তিক কাজ উপস্থাপন করেন। প্রতিযোগিতা শেষে  থ্রি মিনিট থিসিস (3MT) প্রতিযোগিতায় ৩টি প্রধান পুরস্কার ও ৬টি  অগ্রসরমান ধারণাকে পুরস্কৃত করা হয়। পাশাপাশি, পোস্টার প্রেজেন্টেশনে ৩ জন বিজয়ীকে দেয়া হয়  বিশেষ পুরস্কার। 
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন চুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া। অনুষ্ঠানে  গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েট ও রুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং চুয়েটের সাবেক উপ উপাচার্য ও ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন এবং ইইই বিভাগের প্রফেসর ড. নিপু কুমার দাশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে  শুক্রবার (২৫ জুলাই) দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার মূল আকর্ষণ ছিল ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিযোগিতা ‘Three Minute Thesis (3MT)’এবং ‘Poster Presentation’। সকালে দুই পর্যায়ে অনুষ্ঠিত 3MT সেগমেন্টে চূড়ান্ত রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত ৪০টি দল এর প্রতিযোগীদের একটি স্থিরচিত্রের মাধ্যমে মাত্র তিন মিনিটে তাদের গবেষণার পটভূমি, পদ্ধতি, ফলাফল ও প্রভাব উপস্থাপন করতে হয়। এটি ছিল বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা কোনো জাতীয় পর্যায়ের থ্রি মিনিট থিসিস ইভেন্ট।
দুপুরের পর অনুষ্ঠিত হওয়া Poster Presentation সেগমেন্ট এ ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২১১ জন শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে ১৮টি দল চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়।
প্রতিযোগীরা গবেষণার বিষয় হিসেবে প্লাস্টিক ও জৈববর্জ্য থেকে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ভূমিকম্প ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা কিংবা মাতৃত্বকালীন ঝুঁকি নির্ণয়ে ডেটাসেটের ব্যবহারসহ নানা উদ্ভাবনী চিন্তা উপস্থাপন করেন। কেউ ব্যাখ্যা করেছেন পরিবেশবান্ধব ভবনের নকশা, কেউ দেখিয়েছেন কীভাবে ট্রাফিক জ্যাম কমানো যায়, আবার কেউ এনেছেন এমন নতুন প্রযুক্তি, যা জীবনকে সহজ করবে।
আয়োজনের অংশ হিসেবে দুটি কী–নোট সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ইমামুল হাসান ভূঁইয়া এবং চট্টগ্রাম সোশ্যাল বিজনেস সেন্টারের পরিচালক আবিদা সুলতানা।