ইন্টারনেট বন্ধ করে মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের বিচার শুরু
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করা ও ফেসবুকে উসকানি দিয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ বিষয়ে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন আদালত।
পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি, বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। আদালতের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজি এম এইচ তামিম, আব্দুস সাত্তার পালোয়ান ও প্রসিকিউটর মো. মামুনুর রশীদ। আসামি জুনাইদ আহমেদ পলকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. লিটন আহমেদ। পলাতক সজিব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে জয়ের রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন মো. মুনজুর আলম।
এ মামলায় দুই আসামির মধ্যে গ্রেফতার রয়েছেন পলক। তাকে সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। অপর আসামি জয়ের পক্ষে আইনি লড়াই করছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি এ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ ও জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম। শুনানিতে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগের বিরোধিতার পাশাপাশি জয়-পলকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তারা। এজন্য এ মামলায় চার্জ গঠন না করাসহ তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়। তবে অভিযোগ গঠনের আর্জি জানান প্রসিকিউশন।
গত ১১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওইদিন তিনটি চার্জ পড়ে শোনানোর পাশাপাশি দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান তিনি।
ডিবিটেক/বিটিএন/ইকে







