হ্যাক হওয়া পোস্টে কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘হ্যাক হওয়া পোস্টে কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। তারা আমার ভেরিফায়েড ‘এক্স’ হ্যান্ডেল হ্যাক করেছিল। পরে সেখান হতে মায়েদের নিয়ে নোংরা মন্তব্য ছড়াচ্ছিল। একটা দল দেখলাম হৈ হৈ রৈ রৈ করে মিছিল শুরু করে দিয়েছে। যারা মায়েদের সম্মান করতে জানে না, তারাই মিছিল শুরু করলো।’
১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার শেরপুরের শহীদ দারোগ আলী পৌরপার্ক মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘নারীদের বিভিন্ন জায়গায় অসম্মান করা হচ্ছে। যারা নারীদের অসম্মান করে তারা চার পায়ের জন্তু। নারীদের ‘মা’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, মায়েদের বিভিন্ন জায়গায় অসম্মানিত করা হচ্ছে। যারা করছেন তারাও মায়ের সন্তান। তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ— আপনারা আপনাদের মা-স্ত্রী, বোনকে সম্মান করতে শিখুন।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘নিজের পরিবারকে সম্মান করতে জানলে ৯ কোটি মাকে সম্মান করতে পারবেন। যারা নারীদের অসম্মান করে তারা অমানুষ। সমাজে নৈতিক অবক্ষয় বাড়ছে। নারীদের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।’
বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে স্পষ্ট দিবালোকে একজন বিশিষ্ট শিক্ষক অধ্যাপক ও শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অবশ্যই যারা হত্যা করেছেন তাদের জন্য এটি উওর না। তারা তো নিজের দলের ২ শতাধিক মানুষকে বিদায় করে দিয়েছে। যে রাজনীতি মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে খুন করে এটা আবার কোন রাজনীতি। আল্লাহ তায়ালা ৫ তারিখ দেশে একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। আল্লাহর কসম, বাংলাদেশে আসমানের ছাদের নিচে সবচেয়ে নির্যাতিত দলটি হচ্ছে বাংলাদেশ জামাত ইসলামী। একের পর এক সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় ১১ জন শীর্ষ নেতাকে ঠান্ডা মাতায় হত্যা করা হয়েছে। আমরা এখন আর এগুলো চাই না।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান। এসময় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ড. ছামিউল ফারুকী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক রিয়াদ হোসাইন, ডাকসুর সাবেক জিএস এস এম ফরহাদসহ জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।







