দেশের জনসংখ্যার চেয়ে শিবিরের বট আইডি বেশি: ছাত্রদল নেতা

দেশের জনসংখ্যার চেয়ে শিবিরের বট আইডি বেশি: ছাত্রদল নেতা
৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২১:৪৪  

বাংলাদেশে যত জনসংখ্যা আছে, তার চেয়ে শিবিরের ‘বট’ (ভুয়া ফেসবুক আইডি) আইডির সংখ্যা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান। 

৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার (বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটসংলগ্ন আমতলা চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি করেন তিনি। সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জুলাই ৩৬ হলের ৯১ ছাত্রীকে রাবি ছাত্রদলের শাহ মখ্দুম হল শাখার সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান মিলন ফেসবুকে একটি পোস্টের কমেন্টে ‘এগুলো ছাত্রী নয়, এগুলো বিনা পারিশ্রমিক যৌনকর্মী’ বলে বিষোদগার করেন। এ ঘটনায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হওয়ায় মিলনকে ছাত্রদল থেকে আজীবন বহিষ্কার করার পর নগরীর মতিহার থানায় মামলা করে ছাত্রদল। মামলার পরবর্তী সময়ে রাবি শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে আমানুল্লাহ আমান বলেন, ‘কোনও এলাকায় শিবিরের ১০ জন লোক থাকলেও, সেই এলাকার শিবিরের সভাপতি যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনও পোস্ট দেয়, সেখানে ১০ হাজার লোক কমেন্ট করে। আমার কথা হলো, এই লোকগুলো কি জান্নাত থেকে আসে? নাকি জাহান্নাম থেকে ছুটি নিয়ে আসছে, তা আমরা জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শিবিরের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই—আপনাদের আসল জনবল থাকলে তা প্রকাশ করুন। আড়াল থেকে অন্তর্নিহিত বক্তব্য দিয়ে ছাত্ররাজনীতিতে টিকে থাকা যাবে না। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এখন সচেতন। ডাকসু, রাকসু, জাকসুর নির্বাচন হলেই প্রকৃত জনপ্রিয়তা বোঝা যাবে।’

ছাত্রী হলগুলোতে ছাত্রদলের কমিটি না থাকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আমান বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি অন্যান্য ক্যাম্পাসের চেয়ে আলাদা। এখানে একটি বিশেষ সংগঠন দুই-তিন স্তরে সংগঠন চালায়। ছাত্রী হলের প্রাধ্যক্ষরাও ছাত্রীদের ইসলামী ছাত্রী সংস্থায় যোগ দিতে চাপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।’

তিনি দাবি করেন, ‘অনেকে ছাত্রদলে যোগ দিতে চাইলেও ভয়ের কারণে পারছেন না। এমনকি বাম সংগঠনগুলোতেও শিবিরের সদস্যরা অনুপ্রবেশ করেছে। তারা অন্য সংগঠনের পদ নিয়ে থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তারা শিবিরের কর্মী।