হাই-টেক পার্ক আগামীর অর্থনীতির চালিকা শক্তি: পলক
দেশে ২৮টি হাই-টেক পার্ক তৈরি করা হচ্ছে, এর মধ্যে ৪টির উদ্বোধন করা হয়েছে যেখানে কাজ করছে ১৩ হাজার তরুণ-তরুণী। হাই-টেক পার্কগুলো আগামীর অর্থনীতির চালিকা শক্তি বলে মনে করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁও আইসিটি টাওয়ারে মুজিব জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনেে এই কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।
এই সময় তিনি বলেন, মুজিব জন্মশতবর্ষের লোগো তৈরি করেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। এ উপলক্ষে নির্মিত ওয়েবসাইটও তৈরি করেছে আইসিটি বিভাগ। ২০২০ সালে মুজিব জন্মশতবর্ষ পালন উপলক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতো আইসিটি বিভাগও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিভাগটি এ উপলক্ষে জনগণের জন্য ১০০ ডিজিটাল সার্ভিস তৈরি করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের টার্গেট ২০২০ সালে ১০০ স্ট্র্যাটেজি পূরণ করা। এই সময়ে ১০০ সার্ভিস ডিজাইন করে জনগণকে সেবাদান করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা “মাই গভ” নামে একটি সিঙ্গেল অ্যাকসেস পয়েন্ট অ্যাপ ডিজাইন করছি, যেটাতে সব অ্যাকসেস থাকবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে আমরা জনগণকে ধাপে ধাপে সেবা দিতে পারবো।’
পলক বলেন, মুজিববর্ষে অন্তত ১০০ ঘন্টা বেশি কাজ করবে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী। মুজিববর্ষে এটা আমাদের অঙ্গীকার। আমাদের উদ্যোগের, আইসিটি ডিভিশনের ১০০+ কৌশলগত পরিকল্পনাতে এটি রয়েছে। এছাড়া মুজিববর্ষ স্মরণীয় করে রাখতে বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট ২০২০, জাতীর পিতার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের হলোগ্রাফী প্রোজেকশন, অনলাইনে শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে চলচ্চিত্র, এনিমেশন নির্মাণ, মোবাইল গেইম ও এ্যাপ্লিকেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প, আইসিটি ডিভিশনের ১০০+ কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার এর দশ বছর উদযাপন উপলক্ষে মহাসন্মেলন আয়োজন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০২০ আয়োজন করা হবে।
এই সময় তিনি আরো বলেন, মুজিব জন্মশতবর্ষে ১ লাখ তরুণ-তরুণীকে আইটি প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট এর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের ১০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দেয়া হবে, যা আরো বাড়তে পারে। বঙ্গবন্ধু ই–স্পোর্টস সামিট করা হবে।
এছাড়া মুজিববর্ষ বাস্তবায়ন কমিটির প্রদত্ত নির্দেশনা যথাযথ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।