বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধির কাছে বিটিআরসি’র ৪ সুপারিশ
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সঙ্গে মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে বৈঠক করেছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক (অবকাঠামো) গুয়াংঝি চেন। এসময় বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডানডান চেন এবং প্রোগ্রাম লিডার (অবকাঠামো) রাজেস রোহাতগি উপস্থিত ছিলেন ।
এছাড়াও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো: আফজাল হোসেন এবং বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এসময় সংযুক্ত ছিলেন।
বৈঠকে টেলিকমখাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ দূর করতে চারটি সুপারিশ বেঠকে উপস্থাপন করেন বিটিআরসি‘র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার নাসিম পারভেজ। দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রতিষ্ঠা, বিটিআরসি‘র ন্যাশনাল সাইবার থ্রেট এনালাইসিস, ডিটেকশন এন্ড প্রিভেনশন সেন্টার মাধ্যমে বাস্তবায়ন প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি। পাশপাশি টেলিটকের ৫জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং বিটিসিসিএল –এর মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যস্ততম এলাকায় ওয়াইফাই জোন সম্প্রসারণ প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উপস্থাপন করেন বিটিআরসি মহাপরিচালক।
এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরেন প্রতিনিধিদলটি।
বক্তব্যে ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণসহ সরকারের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সংযোগ পৌঁছে দিতে গৃহীত কর্মসূচি ও ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
তিনি বলেন, অতীতের তিনটি শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ অংশ গ্রহণ না করেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অংশ গ্রহণে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দুর্গম এলাকাসহ দেশের প্রায় প্রতিটি মানুষের কাছে ডিজিটাল সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা আমাদের অব্যাহত আছে। সরকার এখাতের প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরির জন্য নীতিমালাসহ গাইড লাইন প্রণয়ন করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বেঠকে কোভিড-১৯ অতিমারিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ভূমিকা, বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড সংযোগের বর্তমান চিত্র, টেলিকম খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জসমূহ, চ্যালেঞ্জসমূহ অতিক্রম করতে করণীয় ইত্যাদি প্রতিনিধিদলকে অবহিত করা হয়।