বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শনকে নিজেদের জীবনে প্রতিফলনের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তি নির্ভর ও জ্ঞান ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে সকলকে নির্ভীক দেশপ্রেমিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
রোববার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সামরিক সচিব ও বীরোত্তম শহীদ কর্নেল জামিলের কন্যা বেগম আফরোজা জামিল কঙ্কা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের স্থয়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ এমপি, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কিউরেটর জনাব নজরুল ইসলাম খান, বেসিস সভাপতি আলমাস কবির, বিসিএস সভাপতি শাহিদ উল মুনীর, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. বি. এম. আরশাদ হোসেন প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির ডিরেক্টর জেনারেল, সরকার নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রনিক সনদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কন্ট্রোলার অব সার্টিফায়িং অথরিটির (সিসিএ) নিয়ন্ত্রক, এটুআই পিডি, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত পরেই একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুণর্গঠনে যখন বঙ্গবন্ধু হাত দিয়েছিলেন তখন থেকেই তার বিরুদ্ধে শুরু হয় ষড়যন্ত্র। এসব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করেই তিনি দেশকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। ১৯৭৪ সালেই তার দূরদর্শী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ যোগ দেয় আন্তর্জাতিক টেলিকেমিউনিকেশন ইউনিয়নে (আইটিইউ)। তারই সিদ্ধান্তে বেতবুনিয়ায় স্থাপন করা হয় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর কণ্যা তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।