ডিজিটাল নিরাপত্তায় বদ্ধপরিকর সরকার : মন্ত্রী
ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর এখন ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সরকার। ডিজিটাল স্পেসে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
আমেরিকা প্রবাসি বাংলাদেশি ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের আয়োজিত ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি সম্মেলন’ -এ বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত হয়ে দেয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানিয়েছে এক্ষেত্রেও সরকার সফল হবে।
তিনি বলেছেন, ডিজিটাইজেশনের প্রসারের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাসহ সামাজিক-রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য এখন বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সে সংকটও অতিক্রম করতে আমরা কাজ করছি-আমরা সফলও হবো। ২০১৮ সালের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্তৃপক্ষের সাথে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলমান রয়েছে। সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরকারের যে কোন পরামর্শ গুরুত্বের সাথে আমলে নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলনে ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নসহ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জিং হলেও আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পিছিয়ে নেই। অতীতের তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করায় সৃষ্ট পশ্চাদপদতা অতিক্রম করে বাংলাদেশ ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে বৈশ্বিক নেতৃত্বের জায়গায় উপনীত হয়েছে। এই অর্জন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ফসল।
তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে আমরা যে যুদ্ধটি শুরু করেছি তা সফলতার দ্বারে কড়া নাড়ছে। আমরা সৌদি আরবে আইওটি ডিভাইস রপ্তানি করছি। বিশ্বের ৮০টি দেশে বাংলাদেশ থেকে সফটওয়্যার রপ্তানি হচ্ছে।
আমেরিকা প্রবাসি উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ এবং বিটিআরসি-এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: নাসিম পারভেজ বক্তৃতা করেন।
বক্তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা ডিজিটিাল নিরাপত্তার জন্য প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলার পাশাপাশি ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।