পাঠাও সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ খুন

১৫ জুলাই, ২০২০ ১০:৫১  
নিউ ইয়র্কে নিজের অ্যাপার্টপেন্ট থেকে পাঠাও সহ প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহের খন্ড-বিখণ্ড লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবরটি শুনে বাংলাদেশে অবস্থানরত পাঠাও এর অপর সহ-প্রতিষ্ঠাতা খুবই মর্মাহত হয়ে ডিজিবাংলাকে জানিয়েছেন, ঘনটাটি খুবই দুঃখের ও বেদনার। আমরা বাকরুদ্ধ। স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ফাহিমের খোঁজ না পেয়ে তার বোন হেল্পলাইন ৯১১-এ ফোন করলে ম্যানহাটনের অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে ফাহিমের খণ্ডিত মরদেহ পায় পুলিশ। মরদেহের পাশে একটি বৈদ্যুতিক করাতও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় দৈনিক নিউইয়র্ক ডেইলি। পত্রিকাটিকে নিউইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা সার্জেন্ট কার্লো নিভস বলেছেন, “ঘটনাস্থলে আমরা খণ্ড দেহ, বিচ্ছিন্ন করা মাথা ও হাত পা পেয়েছি। সবকিছু এখনও সেখানে আছে।” সূত্রমতে, খুনের আগে সোমবার (১৩ জুলাই) আনুমানিক পৌনে দুইটার দিকে দিকে ফাহিমকে একটি সিসিটিভি ক্যামেরাতে শেষবারের মতো দেখা যায়। এতে দেখা যায়, ভবনের লিফট দিয়ে সাততলায় নিজ ফ্ল্যাটের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন ফাহিম। একই ফুটেজে, ফাহিমের সন্দেহভাজন খুনিকেও দেখা যায়। হাতে একটি প্লাটিকের ব্যাগ নিয়ে ফাহিমের সঙ্গেই লিফটে ওঠেন আততায়ী। নিউইয়র্কের ‘ডেইলি নিউজ’ পত্রিকা জানিয়েছে, সোয়া দুই মিলিয়ন ডলার মূল্যের অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া ক্ষতবিক্ষত লাশটি ফাহিম সালেহর। বাংলাদেশে পাঠাও কোম্পানিতে নিজের শেয়ার বিক্রি করে নাইজেরিয়াতে একই ধরনের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। গত জানুয়ারিতে নাইজেরিয়ায় ‘গোকাডা’ নামের কোম্পানিটি সরকারি নিষেধাজ্ঞায় পড়ে। ফাহিম সালেহর জন্ম ১৯৮৬ সালে। তাঁর বাবা সালেহ উদ্দিন চট্টগ্রামের, আর মা নোয়াখালীর মানুষ। ফাহিম পড়াশোনা করেছেন আমেরিকার বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম নিয়ে। পেশায় ওয়েবসাইট ডেভেলপার ফাহিম অ্যাডভেঞ্জার ক্যাপিটাল গ্লোবাল নামক একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানেরও উদ্যোক্তা ছিলেন।