ইফতারের পুণ্যময় আয়োজনের ডোনেশন বিকাশে

ইফতারের পুণ্যময় আয়োজনের ডোনেশন  বিকাশে
৭ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৪৯  

পবিত্র রমজান মাস এলেই শুরু হয় ইফতারের আমেজ। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে এক কাতারে বসে ইফতার করার দৃশ্য আমাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় চেতনার এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। এই মহান কাজকে আরও সহজ ও তাৎক্ষণিক করে তুলেছে দেশের জনপ্রিয় ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। তাদের অ্যাপে যুক্ত ‘ডোনেশন’ অপশনের মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে মানুষ ইফতারের মতো মহৎ উদ্যোগে অংশ নিতে পারছেন।

এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকার ‘মজার ইশকুল’। প্রতিদিন এখানে পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষরা একসাথে ইফতার করেন। ১৪ বছর বয়সী কিশোর আল-আমিন, যে কিনা ছোটখাটো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে, তার মতো অনেকের জন্যই এই ইফতারের আয়োজন বেঁচে থাকার বড় অবলম্বন।

অন্যদিকে, ঢাকার বাড্ডার বাসিন্দা বৃষ্টি রহমান ডিজিটাল মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে মানুষের সেবায় নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। ব্যস্ত নাগরিক জীবনের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়েও তিনি বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে নিয়মিত মজার ইশকুলে অনুদান পাঠাচ্ছেন, যার ফলে প্রতিদিন অন্তত পাঁচজন শিশুর ইফতার নিশ্চিত হচ্ছে। বৃষ্টির মতো এমন হাজারো মানুষ এখন বিকাশের এই সহজ মাধ্যম ব্যবহার করে মসজিদ, এতিমখানা বা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ইফতার আয়োজনে শামিল হচ্ছেন।

রমজান মাসজুড়ে রোজাদারদের ইফতার করানোর এই পুণ্যময় উদ্যোগ প্রসঙ্গে মজার ইশকুলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিয়ান আরিফ বলেন, “পথশিশুদের পাশে দাঁড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে ইফতার আয়োজনে আমরা যে তৃপ্তি পাই, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এই আয়োজনে সারাদেশ থেকে যেভাবে মানুষ যুক্ত হচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। যারা ইফতার করাতে আগ্রহী, তারা বিকাশ অ্যাপের ডোনেশন অপশন ব্যবহার করে খুব সহজেই এই উদ্যোগের অংশ হতে পারছেন।”

প্রযুক্তি ও মানবিকতার এই মেলবন্ধন রমজানের মহিমাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে। বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে অনুদান প্রদানের এই প্রক্রিয়া শুধুমাত্র একটি আর্থিক লেনদেন নয়, বরং এটি সামাজিক বৈষম্য কমিয়ে মানবিক মূল্যবোধ চর্চার একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির এই সহজ ব্যবহার ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষকে জনসেবামূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিবিটেক/এসএম/ইকে