একাদশ শ্রেণি, কারিগরি-তে ভর্তির আবেদন ও রেজিস্ট্রেশন ফি পরিশোধ বিকাশ-এ
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় অনলাইনে ভর্তির প্রথম পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ১১ আগস্ট পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোয় অনলাইনে ভর্তির প্রথম পর্যায়ের আবেদন করা যাবে ১৪ আগস্টপর্যন্ত। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ভর্তির আবেদন ও রেজিস্ট্রেশন ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ-এ। ৩১ আগষ্ট, বৃহস্পতিবার এই তথ্য দিয়েছে ফিনটেক প্রতিষ্ঠানটি।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে,
এর বাইরে নটর ডেম কলেজ, হলি ক্রস কলেজসহ আরও বেশ কয়েকটি কলেজ নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং বিকাশ-এ ভর্তির ফি পরিশোধ করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া দেখে নেয়া যাবে।
পাশাপাশি, একাদশ শ্রেণি ও কারিগরি-তে ভর্তির আবেদন ফি বিকাশ-এ পরিশোধ করলেই থাকছে ১০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট কুপন। অফার চলাকালীন ৫০ টাকা করে ২ বার কুপন উপভোগ করা যাবে। কুপন পাওয়ার ৫ দিন পর্যন্ত কুপনের মেয়াদ থাকবে। নির্দিষ্ট কেএফসি ও পিৎজা হাট আউটলেটে ন্যূনতম ৫০০ টাকা বিকাশ পেমেন্টে কুপনটি উপভোগ করা যাবে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রথমে https://xiclassadmission.gov.bd লিংকে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাইন আপ করতে হবে। এরপর ফি পরিশোধ করতে বিকাশ অ্যাপ-এর ‘এডুকেশন ফি’ অপশন থেকে একাদশ শ্রেণি ভর্তি (XI Class Admission)-তে ট্যাপ করে বোর্ডের নাম, পাশের বছর, রোল নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিতে হবে। তারপর ফি-এর পরিমাণ চেক করে পরের ধাপে বিকাশ পিন নম্বর দিয়ে স্ক্রিনের নিচের অংশে ট্যাপ করে ধরে রাখলেই লেনদেন সম্পন্ন হয়ে যাবে। লেনদেনটি সফল হলে নিশ্চিতকরণ ম্যাসেজ এবং বিকাশ অ্যাপে ডিজিটাল রিসিট পেয়ে যাবেন আবেদনকারী, যা পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। সফলভাবে আবেদন ফি পরিশোধের পর https://xiclassadmission.gov.bd লিংকে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ভর্তির আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
একাদশ শ্রেণির আবেদনের প্রথম পর্যায়ে যারা পছন্দসই প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন না তারা পরবর্তীতে আরও দুই ধাপে একই প্রক্রিয়ায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের আবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত দেখে নেয়া যাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে। শিক্ষাবোর্ডগুলোর নীতিমালা অনুযায়ী, যে শিক্ষাবর্ষে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তার পূর্ববর্তী দুই বছরের মধ্যে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।







