ই-ভিসায় হোটেল বুকিং নিয়ে সতর্ক করল ঢাকার থাই দূতাবাস
থাই ই-ভিসা আবেদনের জন্য হোটেল বুকিং সংক্রান্ত ভুয়া বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার থাইল্যান্ড দূতাবাস। এজন্য ভিসা আবেদনকারীদের শুধুমাত্র অফিসিয়াল উৎস থেকে সঠিক ও হালনাগাদ ভিসা তথ্য গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
২৯ জুন (রবিবার ) দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আমাদের দৃষ্টিতে এসেছে যে, থাই ই-ভিসা আবেদনের জন্য হোটেল বুকিং সংক্রান্ত একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, উক্ত বিজ্ঞপ্তিটি রয়্যাল থাই দূতাবাস, ঢাকা কর্তৃক ইস্যু করা হয়নি।
তবে দয়া করে জেনে রাখুন, থাই ই-ভিসা সিস্টেমে একটি সত্যিকারের আবাসনের প্রমাণপত্র জমা দেওয়া আবশ্যক, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে হোটেলের নাম এবং পূর্ণ ঠিকানা। অতিথির নাম। থাকার সময়কাল (চেক-ইন ও চেক-আউট তারিখ)।
এই বুকিংটি সংশ্লিষ্ট অনলাইন রিজারভেশন প্ল্যাটফর্ম অথবা সরাসরি হোটেলের মাধ্যমে যাচাই যোগ্য হতে হবে। আবাসনের জন্য অগ্রিম অর্থ দেওয়ার প্রমাণ আবশ্যিক নয়।
তবে ভুয়া কাগজপত্র যেমন- ভুয়া হোটেল বুকিং, ভুয়া টিকিট, ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ভুয়া পেমেন্ট রসিদের ভিত্তিতে করা আবেদন বাতিল করার জন্য বিবেচিত হবে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা (E-Visa) সুবিধা চালু করে থাইল্যান্ড। এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করে থাইল্যান্ডের ভিসা পাওয়া যায়। সাধারণত, আবেদন করার ১০ দিনের মধ্যে ই-মেইলের মাধ্যমে ভিসা পাওয়া যায় এবং এই ভিসা নিয়ে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করা যায়।
২. অ্যাকাউন্ট তৈরি: ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
৩. আবেদন ফরম পূরণ: প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন।
৪. কাগজপত্র আপলোড: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (পাসপোর্ট, ছবি, ইত্যাদি) আপলোড করুন।
৫. ফি জমা দেওয়া: ভিসা আবেদন ফি পরিশোধ করুন। দূতাবাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অনলাইনে ফি জমা দেওয়া যায়।
৬. অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা: আবেদন অনুমোদিত হলে, ই-মেইলের মাধ্যমে ভিসা পাবেন।



