উন্মুক্ত হলো ভারতে বাংলাদেশী স্টার্ট-আপ প্রতিনিধি দলের প্রথম সফরের পথ। একইসঙ্গে মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, গ্রিন এনার্জি, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার এবং অর্থ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত পরিষেবাগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রও হলো প্রসারিত।
ভারতে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর থেকেই এমন প্রাপ্তি মিলেছে দেশেরব বিজ্ঞান, টেলিকম ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতে। প্রাপ্তির মধ্যে এই সফরে যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ভারতের কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (সিএসআইআর) এবং বাংলাদেশ কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের (বিসিএসআইআর) মধ্যে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতায় সমঝোতা।

মূলত আঞ্চলিক ও উপআঞ্চলিক ট্রান্সশিপমেন্ট ও ট্রানজিটের ক্ষেত্রে বিনা মাশুলে তৃতীয় কোনো দেশে পণ্য রপ্তানির সুবিধা নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকও। সফরের নানা আপডেট তিনি শেয়ার করেছেন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক ও টুইটারে।
এই সফরে প্রযুক্তি অঙ্গনে দৃশ্যমান কোনো চুক্তি না হলেও প্রযুক্তি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল) মোটরযান চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় ও উপ-আঞ্চলিক সংযোগ উন্নত করার প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করতে সম্মত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী। এই সম্মতি বাংলাদেশের হাইটেক পার্কসহ অটোমোবাইল সংযোজন খাতে গতি আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
https://digibanglatech.news/news/local/ict/83668/
সূত্রমতে, বাংলাদেশ রেলওয়ের সেবার উন্নতি নিশ্চিতে আইটি-সংক্রান্ত সহযোগিতা দেবে ভারত। পাশাপাশি বেনাপোল-যশোর রেলপথ ও সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং রেলস্টেশনের মানোন্নয়নেও কাজ করবে প্রতিবেশী দেশটি।
বর্ধিত সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২০১৯ সালে স্বাক্ষরিত উপকূলীয় রাডার সিস্টেম সমঝোতা স্মারকের প্রাথমিক কার্যকারিতা চূড়ান্তকরণের সিদ্ধান্তও হয়েছে। এছাড়াও সাইবার নিরাপত্তা, আইসিটি, মহাকাশ প্রযুক্তি, পরিবেশসম্মত জ্বালানি ক্ষেত্রগুলোতে যৌথ অংশীদারিত্বের বিষয় সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত।