পচনশীল দ্রব্য নিরাপদ ও দ্রুত ডেলিভারি দিচ্ছে একশপ

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৯:৩৮  
বাংলাদেশের লজিস্টিক্স সেক্টরে উন্মোচিত হলো নতুন দিগন্ত। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সদ্য নির্মিত আধুনিক চিলিং এবং ফ্রোজেন সুবিধাসম্পন্ন মেইল প্রসেসিং সেন্টারের মাধ্যমে একশপ পচনশীল দ্রব্য যেমনঃ খাদ্যদ্রব্য, সব্জি, ফল, মাছ, মাংস ইত্যাদি সারাদেশে পরিবহন শুরু করেছে। ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় অবস্থিত ঢাকা মেইল প্রসেসিং সেন্টারে আজ (মঙ্গলবার) এই প্রক্রিয়ার প্রথম চালান চট্টগ্রামে পাঠানো হয় যা আগামীকালের মধ্যেই ক্রেতার কাছে পৌছে যাবে। ডাক বিভাগের বর্তমানে এরূপ ১৪টি মেইল প্রসেসিং সেন্টার রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ডাক বিভাগ এবং একশপ যৌথভাবে কাজ করবে, যেখানে বিক্রেতা থেকে পণ্য সংগ্রহ করে প্যাকেজিং করে কাউন্টারে উপস্থাপন করবে একশপ, এরপর এই পণ্য ডাক বিভাগের চ্যানেলের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থানে পৌছে যাবে অন্য প্রান্তের মেইল প্রসেসিং সেন্টারে। তবে সেখান থেকে হোম ডেলিভারি সুবিধা বর্তমানে একশপ দেবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সারাদেশে পচনশীল দ্রব্য পরিবহনের যুগ শুরু হলো। এ উপলক্ষ্যে তেজগাঁও মেইল প্রসেসিং সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন মেইল প্রসেসিং ও লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মান প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক শাহ্‌ আলম ভূঁইয়া, একশপ টিম লিড রেজওয়ানুল হক জামি, একশপ হেড অব অপারেশন তৌফিক আহমেদ এবং উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মেইল প্রসেসিং ও লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মান প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক জনাব শাহ্‌ আলম ভূঁইয়া বলেন, ”Perishable item ইস্যুর মাধ্যমে ডাক বিভাগ এক নবদিগন্তের সূচনা করল। নব নির্মিত ১৪টি মেইল প্রসেসিং সেন্টারে চিলার চেম্বার রয়েছে। এর ফলে মাছ,মাংস,শাক সবজি, ফল মূল ইত্যাদি প্রেরণ করা যাবে। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে ইতিবাচক অবদান রাখবে চিলার চেম্বার সম্মিলিত এসব আধুনিক মেইল প্রসেসিং সেন্টার।” রেজওয়ানুল হক জামি বলেন” ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন এখন বাস্তব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সকল অনুশাসনই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, আমরা তার কথাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। ডাক বিভাগের এই সুবিধা যাতে সকল স্তরের উদ্যোক্তাদের কাজে লাগে সেই লক্ষ্যে কাজ করবে একশপ।” প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন (উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত) অনুশাসন অনুযায়ী, ডাকঘরগুলিতে চিলিং সিস্টেমযুক্ত চেম্বার থাকতে হবে। পচনশীল দ্রব্য অর্থাৎ খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে ফলমূল, তরি-তরকারি এগুলো যেন ডাকের মাধ্যমে পাঠানো যায় সেজন্যে চিলিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।