ওয়ার্ক অ্যাট হোমে বড় চ্যালেঞ্জ সাইবার হুমকী
ভার্চুয়াল অফিসের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সাইবার নিরাপত্তা। আর এই নিরাপত্তা শঙ্কাটা থাকে প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও সেবা গ্রহিতাদের ব্যবহৃত ডিভাইসের দুর্বলতা এবং তাদের তথ্যসুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতা পর্যায়ে। আর এই নিরাপত্তা শঙ্কাকেই ঘরে বসে অফিস করার সংস্কৃতিতে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন খাতসংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবোদ্ধারা।
শনিবার (২০ জুন) কোভিড-১৯ সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিজিটাল রূপান্তরের সংস্কৃতি নিয়ে আয়োজিত ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে এমন অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকারের সংঞ্চালনায় ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব।
ভার্চুয়াল এই বৈঠকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পূবালী ব্যাংকের সিটিও এবং ডিএমডি মোহাম্মদ আলী।
আলোচক হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশ সরকারের ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন, আল আরাফা ইসলামি ব্যাংকের সিটিও সৈয়দ মাসূদুল বারী, এবং প্রথম আলো ডিজিটালের প্রধান জাবেদ সুলতান পিয়াস।
মূলপ্রবন্ধে কোভিড-১৯ যে কাজের ক্ষেত্রে রূপান্তর হচ্ছে তা দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেন পূবালী ব্যাংকের সিটিও এবং ডিএমডি মোহাম্মদ আলী। ডিজিটাল সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে স্টেকহোল্ডারদের পাশাপাশি গ্রাহক ও গণযোগাযোগ গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বলেছেন, ডিজিটাল ওয়ার্ক প্লেসের জন্য ইন্ট্রানেট বা ই-নথি যথেষ্ট নয়। এখন ভার্চুয়াল ওয়ার্ক প্লেস, ইন্টারঅ্যাকশন, তথ্য আদান-প্রদান, গ্রাহক সেবা এবং ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক বিষয়েই সতর্ক থাকতে হবে। ল্যানের নেটওয়ার্কই নয় ইন্টারনেট সার্ভার, এন্ডইউজার ডিভাইসের নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করতে হবে। ফাইল সার্ভারের প্রশাসকদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। সর্বোপরি আমাদেরকে ঘর ছেড়ে ক্লাউড সর্ভারে সংযুক্ত হতে হবে। ভিডিও বৈঠকে রোবটিক আক্রমণ, ম্যালওয়্যার সামাল দিতে সতর্ক থাকতে হবে। ঢেলে সাজাতে হবে ডেলিভারি চ্যানেলকেও।
তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের আইসিটি অবকাঠামো বিশেষ করে ডিএমজেড জোনকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। কর্মীদের প্রযুক্তি জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন, কেপিআই থেকে বেরিয়ে প্রযুক্তি কেন্দ্রিক ব্যবস্থপনা এবং বোর্ড এবং কর্মীদের মধ্যে ডিজিটাল সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।